ঢাকা শহরের পরিচিত দৃশ্য ভ্রাম্যমাণ খাবার বিক্রেতা। স্থায়ী বা অস্থায়ী এসব ভ্রাম্যমাণ খাবার বিক্রেতা শহরের বিভিন্ন স্থানে তাদের পণ্য সাজিয়ে বসেন। এই হকাররা নগরবাসীর খাদ্য চাহিদা পূরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। তবে বেশির ভাগ হকারের কোনো লাইসেন্স না থাকায় তাদের কোনো পরিসংখ্যান নেই।
![]()
ফলে তাদের প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা ও তদারকি করা অত্যন্ত কঠিন। এ জন্য প্রয়োজন একটি হকার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা। যার মাধ্যমে হকারদের ব্যবস্থাপনায় আনার পাশাপাশি সিটি করপোরেশনেরও একটি আয়ের উৎস তৈরি করা সম্ভব বলে অভিমত জানান বক্তারা।

সোমবার ‘স্ট্রিট ফুড ভেন্ডিং বিষয়ে একটি ভার্চুয়াল আলোচনাসভায়’ বক্তারা এসব কথা বলেন। এ বিষয়গুলোকে বিবেচনায় নিয়ে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা ‘ঢাকা ফুড সিস্টেম’ প্রকল্পের আওতায় তিন মাসমেয়াদি একটি পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এর আওতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ১০০ জন ফুড ভেন্ডরের একটি ডাটাবেস তৈরি করা হবে এবং তাদের স্বাস্থ্যবিধি-খাদ্যের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এটি ডিএনসিসি এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা কর্তৃক গৃহীত একটি উদ্যোগ এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট কার্যক্রমটি বাস্তবায়নে সহযোগী সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
ইত্তেফাক/কেকে
