ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২১, ২০:০৩

কোভিড-১৯ বিশ্বকে বদলে দিয়েছে। এই বদল হওয়া অব্যাহত থাকবে দীর্ঘ সময় ধরে। স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বপর্যটনেও এর প্রভাব অনস্বীকার্য। তবে তাত্পর্যপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কোভিড-১৯ পরবর্তী বিশ্বে ৫টি খাত ব্যাপকভাবে এবং বহুমাত্রিকতা নিয়ে আবির্ভূত হবে এবং অর্থনীতি ও সমাজ জীবনে গতির সঞ্চার করবে। উল্লেখিত ৫টি খাতের একটি হচ্ছে ডোমেস্টিক ট্যুরিজম বা অভ্যন্তরীণ পর্যটন। এখানে যে দেশগুলোর সফল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি তারমধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সুতরাং বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বেই পর্যটনকেন্দ্রিক পড়াশোনার কদর বাড়ছে হু হু করে। আধুনিক শিক্ষা কারিকুলাম, পর্যটন ভিত্তিক বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহনের সুযোগ এবং হাতে-কলমে প্রশিক্ষন ব্যবস্থার কারনে  ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীদের কাছে ভীষণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ।

‘পর্যটনের সাথে একান্তভাবে যে পড়াটির যোগসূত্র রয়েছে তা হলো হোটেল ম্যানেজমেন্ট। বলা যায় আগামীর পেশা পর্যটন ও হোটেল ম্যানেজমেন্ট।’ এভাবেই কথা শুরু করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজন্টের সাবেক শিক্ষার্থী আবু সালেহ। তিনি কোর্স ওয়ার্ক শেষে এক বছরের জন্য পেমেন্ট সহ ইন্টার্নশিপ শেষ করে এসেছেন ’চিন দেশের হাইনান প্রদেশ’ থেকে। বর্তমানে নিজ ব্যবসা পরিচালনা করছেন। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের কোর্স কারিকুলাম একটু ভিন্নভাবে সাজানো— জানালেন এই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মাহবুব পারভেজ। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের চার বছরের শিক্ষাজীবনকে আমরা চারটি সেগমেন্টে ভাগ করেছি। প্রথম সেগমেন্ট হচ্ছে নিয়মিত কোর্সের আওতাধীন পড়াশোনা, দ্বিতীয় সেগমেন্ট হচ্ছে কো-কারিকুলাম বা সহশিক্ষা কার্যক্রম, তৃতীয় সেগমেন্ট ল্যাব ও অন এডুকেশন ট্রেনিং এবং চতুর্থ সেগমেন্ট হচ্ছে ক্যারিয়ার। এই চারটি সেগমেন্টের ভেতর দিয়ে একজন শিক্ষার্থীকে স্নাতক সম্পন্ন করতে হয় বলে তার পক্ষে কর্মজীবনের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ রূপে গড়ে ওঠা ছাড়া বিকল্প থাকে না। আর এসব কারণেই ড্যাফোডিলের ট্যুরিজম বিভাগে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়। এই বিসয়ে আরও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭১৩৪৯৩০৫০ এই নম্বরে।

বিভাগীয় প্রধানের কথার সঙ্গে মিল পাওয়া গেল শিক্ষার্থীদের বক্তব্যের। নাবিলা আক্তার এ বিভাগ থেকে পড়াশুনা শেষ করে চাকুরী করেছেন একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে। তিনি বলেন, আমাদের বিভাগের নিজস্ব হাউজ কিপিং ল্যাব রয়েছে এবং সার্ভিস ল্যাব রয়েছে। ফলে পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করতে পেরেছি। আরেক সাবেক শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন বলেন, দুই বছর পর অন এডুকেশন পোগ্রামের মাধ্যমে আমাদেরকে কোনো না কোনো হোটেল, রিসোর্ট কিংবা পর্যটন প্রতিষ্ঠানে চার মাসের জন্য ইন্টার্নশীপ করতে হয়েছে। এছাড়া চার বছর পর পূর্ণাঙ্গ ইন্টার্নশীপ তো আছেই। কথা হয় আরেকজন সাবেক শিক্ষার্থী তানিয়া সুলতানার সঙ্গে। তিনি বলেন, এখানে পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের নেতৃত্বগুণ ও নানা বিষয়ে দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রচুর সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নামীদামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রয়েছে শিক্ষার্থী বিনিময় প্রকল্প শীর্ষক সমঝোতা চুক্তি। প্রতি বছরই এই বিভাগের কোনো না কোনো শিক্ষার্থী বিদেশের কোনো না কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যান।