গোদাগাড়ীতে তিন গ্রাম ও বিদ্যালয় হুমকিতে

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২১, ২১:২৫

পদ্মায় তীব্র ভাঙন

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানে আলম বলেন, ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডকে

জানানো হয়েছে

গোদাগাড়ী (রাজশাহী) সংবাদদাতা

গোদাগাড়ীতে পদ্মায় তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে উপজেলার তিনটি গ্রাম ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভাঙন হুমকিতে রয়েছে। এরই মধ্যে গত কয়েক দিনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে কয়েক হাজার বিঘা এলাকার ফসলি জমি ও আম বাগান। এদিকে নদীপাড়ে বসবাসকারীরা আতঙ্কিত হয়ে বাড়িঘর সরিয়ে নিচ্ছেন। গত ১৫ দিন ধরে উপজেলার নিমতলা চাকপাড়া, খারিজাগাঁতি ও মোল্লাপাড়া এলাকায় দেখা দিয়েছে এ ভাঙন।

ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে নদীগর্ভে চলে যাবে নিমতলা চাকপাড়া, খারিজাগাঁতি ও মোল্লাপাড়া এলাকার ফসলি জমি, আমবাগান, বসতবাড়ি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানে আলম ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। নিমতলা গ্রামের বৃদ্ধ কৃষক গোলাম রসুল বলেন, ‘এক বছর আগে বহু কষ্টে বসতবাড়ি করেছিলাম। নদী ভাঙতে ভাঙতে বাড়ির ধারে চলে এসেছে। বাড়ির পাশে টিউবওয়েলটি নদীগর্ভে চলে গেছে। বাড়ি থেকে সব মালামাল বের করে নিয়ে পাশে অন্যের আম বাগানে খোলা আকাশের নিচে থাকছি। যে কোনো মুহূর্তে আমার বসতবাড়ি নদীগর্ভে চলে যাবে। আমার কোনো জমি জায়গা নেই, অল্প একটু বাড়ির ভিটে ছিল নদীগর্ভে চলে গেল।’

উপজেলার দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান আখতার বলেন, ভাঙনকবলিত এলাকা উপজেলা প্রশাসন পরিদর্শন করে গেছে। এ ব্যাপারে  রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেছি। ভাঙন রোধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে আবেদন পাঠিয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানে আলম বলেন, ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে।