দেশে অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কিছু ই-কমার্স নীতিমালা থাকলেও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই এসব নীতির তোয়াক্কা করছে না। সম্প্রতি একটি প্রতিষ্ঠানের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে হাজার হাজার যুবক বিক্ষোভ করেন। ই-কমার্স নীতিমালায় গ্রাহক টাকা পরিশোধ করার পর ২ দিন থেকে স্থানভেদে সর্বোচ্চ ১০ দিনের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে মাসের পর মাস পণ্য ডেলিভারি না দেওয়া এমনকি কখনো কখনো পণ্য না দেওয়ারও অভিযোগ মেলে। ই-কমার্স নীতিমালায় পণ্য পেয়ে পছন্দ না হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা ফেরত দেওয়ার অনুমতি থাকলেও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই এ নিয়ম মানছে না। ফলে এসব প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন চকমপ্রদ বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গ্রাহক আকৃষ্ট করলেও পরবর্তী সময়ে অপেক্ষাকৃত নিম্ন মানের পণ্য ডেলিভারি দেয়। একদিকে মানুষের স্মার্টফোন ব্যবহারের প্রবণতা বেড়ে যাওয়া, অন্যদিকে ই-কমার্স খাতে নতুন নতুন বিনিয়োগ হওয়ায় অনলাইনে ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ই বেড়েছে। দেশে ছোট বড় প্রায় ১২০০ নিবন্ধনকৃত ই-কমার্স সাইট রয়েছে। কিন্তু এভাবে গ্রাহকরা প্রতারণার শিকার হতে থাকলে ক্রমবর্ধমান এ খাত হুমকির মুখে পড়বে। অতি দ্রুত ই-কমার্স নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হলে একদিকে যেমন গ্রাহকসংখ্যা বাড়বে, অন্যদিকে বাজারে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি হবে। তাই ই-কমার্স নীতিমালা বাস্তবায়ন করা এখন সময়ের দাবি।
মো. সৈয়দুর রহমান, শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ
