নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সভাপতি ও নাসিক ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের বিরুদ্ধে এবার ধর্ষণ মামলা করেছেন দ্বিতীয় স্ত্রী দাবিদার এক নারী। গতকাল বুধবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে উপস্থিত হয়ে তিনি এই মামলা করেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ভুয়া বিবাহ দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাউন্সিলর খোরশেদ তাকে ধর্ষণ করেন। তিনি বিয়ের কাবিননামা দেখতে চাইলে কালক্ষেপণ করা হয়। একপর্যায়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
পিপি রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। গত ১৬ মে রাতে ঐ নারী কাউন্সিলর খোরশেদ ও রেহানা আক্তার নামে এক নারীকে আসামি করে থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। মামলার পর থেকে পলাতক রয়েছেন কাউন্সিলর খোরশেদ। কাউন্সিলর খোরশেদের ব্যক্তিগত নম্বরে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেন তার সচিব আলী সাবাব টিপু। তিনি জানান, মোবাইল অফিসেই থাকে। মামলা হয়েছে আমরা জেনেছি।
বাদীর অভিযোগ, ২০২০ সালের ২ আগস্ট খোরশেদ নিজেই কাজি নিয়ে গিয়ে ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে তাকে বিয়ে করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে খোরশেদ তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। গত ২৪ এপ্রিল খোরশেদ ফেসবুক লাইভে এসে তার বিরুদ্ধে আপত্তিকর, মানহানিকর তথ্য উপস্থাপন করেন। ২৫ এপ্রিল রেহানা মুসকান নামে এক নারী খোরশেদের বাসায় বসে লাইভে এসে তার সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করেন। পরে তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন।
