শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা প্রসঙ্গ

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০২১, ২১:৪৪

করোনা ভাইরাসজনিত সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুটা কমেছে। এমন অবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া উচিত কি? এ বিষয়ে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকের মতামত আজ প্রকাশিত হলো।

দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিম্নমুখী। অন্যদিকে সারা দেশে জাতীয়ভাবে গণটিকা দান কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। এমতাবস্থায় অনুসৃত স্বাস্থ্যনির্দেশিকার আলোকে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনের শর্তে ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার যথার্থতা ভেবে দেখা অত্যাবশ্যক। বিদ্যমান বাস্তবতায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দের মতামত বিদ্যায়তনসমূহ শিগিগর খোলার পক্ষে। এছাড়া কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ফলে অনলাইন-ভিত্তিক দূরশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনায় সৃষ্ট ‘ডিজিটাল বৈষম্য’ দূরীকরণে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফেরানো সবিশেষ জরুরি।

ওয়ারেছ আলী খান

সদর, রংপুর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে অনলাইন ও অ্যাসাইনমেন্ট-ভিত্তিক পাঠদান শিক্ষার্থীদের শিখন চাহিদার কতটা পূরণ করতে পারছে তা প্রশ্নসাপেক্ষ। তাছাড়া ইতিমধ্যে দরিদ্র পরিবারের অনেক শিক্ষার্থী যেমন শিশুশ্রমে নিয়োজিত হয়েছে তেমনি অনেককেই বাল্যবিবাহের শিকার হতে হয়েছে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত পরীক্ষা না নেওয়াটাও তাদের ভবিষ্যত্ জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

মাওসুমা নওশীন

সদর, বরিশাল

করোনা ক্রান্তিকালে দেশ ও জাতির ভবিষ্যত্ কর্ণধার আজকের শিশু থেকে তরুণ শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও জীবনের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিতে সব পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রায় দেড় বছর ধরে টানা বন্ধ থাকায় কেবল শিক্ষা খাতই বিপর্যস্ত হয়নি, চরম নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের মানসিকতায়। উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে শিশুশ্রম ও বাল্যবিবাহ। অন্যদিকে, সিংহভাগ শিক্ষার্থী অনলাইন মাধ্যমের পাঠদানের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাই ঝরে পড়া রোধসহ কয়েক কোটি শিক্ষার্থীর মানসিক অবসাদের অবসান ঘটাতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে অতিদ্রুত কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সময়ের দাবি।

আবু ফারুক

বনরুপা পাড়া, সদর, বান্দরবান

শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথা বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হলেও শিক্ষার্থীরা ঠিকই ঘরের বাইরে যাচ্ছে। আবার পরিবারের কর্মজীবী সদস্যদের মাধ্যমে সর্বাবস্থায় শিশুদের করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থেকেই যায়। তাছাড়া অনলাইন-নির্ভর পাঠদান কোনোভাবেই শ্রেণিকক্ষের সরাসরি পাঠদানের বিকল্প হতে পারে না। এমতাবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাটা কতটা যৌক্তিক তা ভাববারই বিষয়।

মোহাম্মদ ফয়সাল

পূর্ব মাদারবাড়ী, চট্টগ্রাম

টানা দেড় বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখায় নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা যেমন ব্যাহত হচ্ছে তেমনি অনেক শিশু শিক্ষার্থীর আনুষ্ঠানিক শিক্ষায় অভিষেকের অপেক্ষা বিলম্বিত হচ্ছে। এছাড়া কয়েক কোটি শিক্ষার্থীর প্রাত্যহিক জীবনের শৃঙ্খলা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি মানসিক উন্নয়নও চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সর্বোচ্চ দ্রুততম সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করা আবশ্যক।

এফ এফ এম সালাহউদ্দিন

বান্দরবান

সংক্রমণ কমলেও ঝুঁকি খুব একটা কমেনি। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে কতটা সক্ষম তা বিবেচনাসাপেক্ষ। তবে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও মানসিক অবস্থার অবনতির লাগাম টানতে অনতিবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা আবশ্যক। এক্ষেত্রে নিরাপদ দূরত্ব ও অন্যান্য অপরিহার্য স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা নিশ্চিত করা জরুরি।

আবুল কাশেম

বহদ্দারহাট, চট্টগ্রাম

একটানা দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় কোমলমতি শিশুরা স্বভাবিক জীবনযাত্রায় ছন্দ হারিয়ে ফেলেছে। বিশেষ করে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা গৃহবন্দি হয়ে বিষণ্নতায় ভুগছে। দেরি না করে স্কুল খুলে দিলে তাদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে সেইসঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রমে জটিলতাও নিরসন হবে।

মোহাম্মদ ইসলাম

চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা

দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে এলেও অনুকূল পরিবেশ পাওয়া যাচ্ছিল না। এখন দেখা যাচ্ছে পরিস্থিতি কিছুটা হলেও স্বাভাবিক হচ্ছে। আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার কমে আসছে। সতর্কতা জারি রেখে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া হোক।

উবাইদুল্লাহ তারানগরী

ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ

করোনা মহামারিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪ কোটি শিক্ষার্থী বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চাকরিপ্রত্যাশীদের হতাশা চরমে পৌঁছেছে। ইউনিসেফের মতে, কোভিড-১৯-এর কারণে প্রায় ১ কোটি শিক্ষার্থী আর কখনো স্কুলে ফিরে আসতে পারবে না। এই সংকট মোকাবিলায় শিগিগরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়টি নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার কোনো বিকল্পই নেই। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ছাত্র-শিক্ষকদেরও অগ্রাধিকারের তালিকায় বিবেচনা করতে হবে।

মো. জিল্লুর রহমান

গেণ্ডারিয়া, ঢাকা

সাম্প্রতিক সময়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের স্রোত অনেকটাই কমে এসেছে, মৃত্যু এবং সংক্রমণের হার আগের তুলনায় কম। সে  কারণে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে এক ধরনের পরিকল্পনা করেছেন এবং বর্তমান সময়ে এই পরিকল্পনা ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে সব শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় আনতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি সঠিক ভাবে মেনে চলতে হবে।

ফারজানা বিনতে মুরাদ ঈরা

ঝিকরগাছা, যশোর

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় কিশোরদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ধাবিত হতে দেখা যাচ্ছে। সরকারি হিসাব মতে সংক্রমণের হার কমে থাকলে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যবিধি মানার মানসিকতা থেকে থাকলে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা-বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি যদি ঠিকমতো মানা না হয় তাহলে ছাত্রছাত্রীরা করোনা সংক্রমিত হওয়াসহ দেশব্যাপী বড় ধরনের স্বাস্থ্যবিপর্যয় দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এস এম হূদয় রহমান

দাউদকান্দি, কুমিল্লা

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কিছুটা কমেছে। সামনের দিনগুলোতে আশা করছি আরো কমবে। তবে জনমনে করোনা সংক্রমণ এবং ভয় রয়ে গেছে। টিকা দান কর্মসূচি আরো জোরদার করা প্রয়োজন। পরিশেষে করোনা সংক্রমণ কমে আসছে, তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়াই উত্তম।

কামরুজ্জামান

গাজীপুর

করোনা ভাইরাস জনিত সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুটা কমের দিকে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি জানানো হয়েছে। যথাসময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার হোক এবং শিক্ষকদেরও আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।

অ্যাডভোকেট এস কে মো. রমিজ উদ্দিন

কাকরাইল, ঢাকা

করোনা ভাইরাসজনিত সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুটা কম এখন। এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়াই ভালো। এতে করে শিক্ষার্থীদের হতাশা কাটবে।

সুলতানা জামান

মানিকনগর , ঢাকা

দীর্ঘ ১৭ মাসের বেশি সময় যাবত্ বন্ধের পর এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এটা অত্যন্ত সবার কাছে সুখের বিষয়, আনন্দেরও বিষয়। ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা ব্যক্ত করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি। তবে স্বাস্থ্যবিধিকে সবার আগে দেখতে হবে।

শিশির

পিলখানা, ঢাকা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে অনেক জায়গায় মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদানসহ আন্দোলন হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণার জন্য অবশ্যই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করতে হবে।

রাসেল আহমেদ

মুগদা, ঢাকা

বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই স্বাস্থ্যবিধি ঠিক রেখে স্কুলগুলো খোলা রাখা হয়েছে। সুতরাং স্কুল আর বন্ধ রাখা নয়, খুলে দেওয়াটাই হবে উত্তম।

সাইফুল ইসলাম তানভীর

বারিধারা, গুলশান, ঢাকা

করোনা ভাইরাসজনিত সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুটা কমেছে এখন। এমন অবস্থায় এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। শিশুদের শিক্ষা থেকে আর বঞ্চিত না রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অবশ্যই খুলে দেওয়া দরকার। তবে তার সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি জোরদার করতে হবে।

কবি আল মায়ামী

ফুলবাড়িয়া , সাভার

কোভিড পরিস্থিতি এখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে বলা যায়। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যায়। শিক্ষার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ডিজিটাল প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মো. মামুন

বংশাল, ঢাকা

করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণের সংখ্যা কখনো বাড়ছে আবার কখনো কমছে। করোনাকালেই স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিয়ে মৃত্যু বা সংক্রমণ দেখা দিলে এর দায় কে নেবে? তার পরেও কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে দেখতে হবে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়।

ফারুক আহমদ

বাগমারা, রাজশাহী

করোনায় মৃত্যুর হার অনেক হ্রাস পেয়েছে। এমতাবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া উচিত। যুবসমাজের মধ্যে অসামাজিক কার্যকলাপ বেড়ে যাচ্ছে। অভিভাবকরাও হিমশিম খাচ্ছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

প্রহরী মনিরুজ্জামান

টঙ্গী

কয়েক দফা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘোষণার পর নতুন করে নেওয়া হয় প্রস্তুতি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি আগেই নিয়েছিল। ইউনিসেফের পক্ষ থেকে দ্রুত সশরীরে উপস্থিত হয়ে শিক্ষা গ্রহণের জন্য স্কুল/কলেজ খুলে দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

বজলুল করিম

ধানমন্ডি, ঢাকা

আগামী মাসের শুরুতেই বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজগুলোতে পরীক্ষার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে আগামী নভেম্বর এবং ডিসেম্বর মাসে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।  পাশাপাশি অনুরোধ, স্কুল/কলেজ খোলার পূর্বে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে সব পরিকল্পনা সূচি প্রণয়ন করা হোক।

মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)

আরাপপুর, ঝিনাইদহ

যেহেতু বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১৫ লাখেরও অধিক লোক করোনা মহামারিতে আক্রান্ত রয়েছেন আর মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে, সেক্ষেত্রে আরো কিছুদিন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা দরকার। ইতোমধ্যে বহুদিন বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পাদন করে পাঠ দানে উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা যাবে।

মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী (হিফজু)

রাজশাহী-৬২০২

কয়েক দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কর্মসূচি দিলেও পরবর্তী সময় তা বাস্তবায়িত হয়নি। এখন আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি চলছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কয়েকটি শিফট তৈরি করে খোলা হোক। এতে করে সংক্রমণের হার কম থাকবে।

মো. ইফতেখার হোসাইন লিটন

হাইমচর, চরভৈরব

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনো আসেনি। যেহেতু আমাদের দেশে যে কোনো কাজে নিয়ন্ত্রণের অভাব, আর সেই কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে বিশেষ করে কোমলমতি শিশুদের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণে রাখা বেশ কঠিন।

আইরিন সুলতানা অন্জু

মাইজপাড়া, চট্টগ্রাম

কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ ও মৃত্যু কমলেও আপাতত এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে না দেওয়াই হচ্ছে উত্তম কাজ। শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে আসলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া উচিত। সুতরাং সব বিবেচনা করে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

মো. মেজবাহউদ্দিন সেলিম

ইব্রাহিমপুর, ঢাকা