ইন্টারনেট স্পিডের গুরুত্ব কতখানি তা এই করোনাকালে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে সবাই। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্লাসের সময় কেউ কেউ গাছের মাথায় উঠেছে ডাটার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনলাইন পরীক্ষায় বসতে রাজি নয় এই ইন্টারনেটের ধীরগতির জন্যেই। সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি অনলাইন সার্ভিসগুলো অনেক সময়সাপেক্ষ। এক্ষেত্রে ইন্টারনেটের ধীরগতিকেই দায়ী করা হয়। ফ্রিল্যান্সারদেরও বিভিন্ন সময় মোবাইল ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর করতে হয়। সেক্ষেত্রে এই ধীরগতির জন্যে কাজের গতি কমে। এভাবে প্রতিদিন দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা এবং তার চেয়ে বেশি মূল্যবান কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। শিক্ষা কার্যক্রম ঠিকভাবে সম্পাদন করা যাচ্ছে না। মোবাইল অপারেটরগুলো চটকদার বিজ্ঞাপনের ফাঁদে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। বিজ্ঞাপনে সারা দেশে তাদের ফোর জি নেটওয়ার্ক থাকলেও বাস্তবে সিটি করপোরেশন এলাকাতেও ফোর জি সবসময় পাওয়া যায় না। তাদের এই দিনে দুপুরে ডাকাতির কথা যাদের বলার কথা, সেই বিটিআরসি আদতে কী করছে—সেটা বোধগম্য নয়।
মো. নাঈম উদ্দিন
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
