আগের দিনের মতো গতকালও শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। গতকাল লেনদেনের শুরুতে মূল্যসূচকে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত তা আর থাকেনি। লেনদেনের শেষ দিকে একের পর এক প্রতিষ্ঠানের দরপতন হতে থাকে। এতে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সবকয়টি মূল্যসূচকের পতনের পাশাপাশি কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে ১০৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লেখায়। বিপরীতে দাম কমেছে ২৫১টির। আর ২০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২৭ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৮৫১ পয়েন্টে নেমে গেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৪৫৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসইর শরিয়াহ্ সূচক ৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৮৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
সবকয়টি মূল্যসূচকের পতনের সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ২২৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ২ হাজার ৫৭০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন কমেছে ৩৪৩ কোটি ১২ লাখ টাকা। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার ব্যাংকের শেয়ার। কোম্পানিটির ৭২ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের ৭০ কোটি ১৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৫৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা। এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- বেক্সিমকো, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, সাইফ পাওয়ার টেক, ডিবিএইচ, ইসলামিক ফাইন্যান্স এবং পাওয়ার গ্রিড।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১২৩ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৮৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩২৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮০টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২২২টির এবং ২৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
