কাবুল বিমানবন্দরে ‘ঘৃণ্য’ হামলার নিন্দা বিশ্ব নেতাদের

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০২১, ০০:৪৬

কাবুল বিমান বন্দরে বৃহস্পতিবার ‘আইএস’র জোড়া আত্মঘাতী বোমা হামলায় অনেক লোকের প্রাণহানির ঘটনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নিন্দা জানিয়েছে। ৩১ আগস্টের সময় সীমার মধ্যে আফগানিস্তান ত্যাগের জন্য মরিয়া কাবুল বিমান বন্দরে হাজার হাজার লোকের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে এই বোমা হামলা চালানো হয়। আইএস’র আফগান শাখা এই হামলা চালায়।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই আত্মঘাতী হামলার জন্য দায়ীদের শাস্তির মুখোমুখি করার অঙ্গীকার করেছেন। এই হামলায় মার্কিন ১৩ সেনা সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। ২০১১ সালের পর একদিনে পেন্টাগনের জন্য এটা সবচেয়ে বড় ক্ষতি। 

Kabul bombings: 13 US army personnel killed in attacks at airport |  ISIL/ISIS News | Al Jazeera

হোয়াইট হাউস থেকে এক ভাষণে বাইডেন ৩১ আগস্ট পর্যন্ত স্থানান্তর অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা ক্ষমা করবো না। আমরা ভুলবোনা। আমরা তোমাদের ধরবো, তোমাদের দায় শোধ করতে হবে।’

‘আমরা সন্ত্রাসীদের দ্বারা বিচলিত হবো না। আমরা আমাদের কার্যক্রম থামাতে দেব না। আমরা ঝুঁকিপূর্ণ লোকদের সরিয়ে নেয়া অব্যাহত রাখবো।’
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এই হামলাকে “বর্বরোচিত” উল্লেখ করে এর নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের সরিয়ে আনার সাথে জড়িতদের ‘দুঃসাহসিক অভিযানের’ প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ব্রিটেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উদ্ধার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। 

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত স্থানান্তর কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি হামলায় নিহত আমেরিকান এবং আফগানদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং যারা ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত আছেন তাদের প্রতি অভিনন্দন জানিয়েছেন। 

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেছেন, ‘আমরা যতোটা সম্ভব লোকদের সরিয়ে আনার কাজ অব্যাহত রেখেছি।’ তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আফগান জনগণের পাশে রয়েছে।

চেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাকব কুলহানেক বলেছেন, ‘আফগান এবং মার্কিন সেনা সদস্যদের মৃত্যুতে আমি শোক প্রকাশ করছি।’ তিনি এই হামলাকে ‘ঘৃণ্য সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

Kabul Airport Explosions: What We Know About the Bombing Attacks - WSJ

ইতালিয়ান প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাগহি এই হামলাকে ‘নিকৃষ্ট এবং ভয়ঙ্কর’ উল্লেখ করে নিন্দা জানান। 

নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইনে এরিকসন সোরিডে এক টুইটে বলেছেন, ‘এই হামলা দেশ ছাড়ার চেষ্টারত নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের ওপর জঘন্যতম নিষ্ঠুরতা।’ 
পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রজেজ দুদা এই হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত’ উল্লেখ করে  নিন্দা জানান। 

সুইডিস পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন লিনডে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং ন্যাটো মহাসচিব হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এবং সৌদি আরব, তুরস্ক এবং মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে। 

ইত্তেফাক/এএইচপি