স্পোর্টস রিপোর্টার
কোয়ারেন্টাইনের বাধ্যবাধকতার কারণে সতীর্থদের চেয়ে এক দিন পরে অনুশীলনে নামতে হয়েছে সাকিব আল হাসানকে। গতকাল অনুশীলনে নেমেই ব্যস্ত দিন কাটালেন বাঁহাতি এ অলরাউন্ডার। দুপুরের পর ইনডোরে গিয়ে কিছুক্ষণ বোলিংয়ে হাত ঘুরিয়েছেন তিনি। নেটে লম্বা সময় ব্যাটিং করেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
সিংহভাগ সময়ই থ্রো ডাউনের বিপরীতে ব্যাটিং করেন সাকিব। হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো, টিমবয়রা টানা বল ছুড়েছেন তাকে। পরিশ্রান্ত সাকিব পরে মূল মাঠে এসেও সেন্টার উইকেটের পাশে ব্যাটিং করেছেন।
গতকাল সাকিব ব্যাটিং অনুশীলনকে গুরুত্ব দিলেও ক্রিকেটের খুদে সংস্করণে টালমাটাল ওপেনিং নিয়ে অবশ্য বড় চিন্তায় নেই বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট। গত ১২ মাসে ওপেনিংয়ে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি ১০২ রান। সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সফরে যা গড়েছিলেন সৌম্য সরকার ও নাঈম শেখ। তার পরেই সর্বোচ্চ ৪২ রানের জুটি। ২০ রান পার হয়েছে তিন বার। দুই অঙ্কের ঘর পার হতেই ওপেনাররা সাজঘরে ফিরেছেন চারবার।
তবুও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন হোম সিরিজে ওপেনিং নিয়ে চিন্তিত নন ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্স। গতকাল অনুশীলন শেষে ওপেনারদের নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে ওপেনিং ব্যাটসম্যানদের নিয়ে আমি চিন্তিত নই। জিম্বাবুয়েতে আমরা এক-দুটো ভালো জুটি পেয়েছি। অবশ্যই অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে গত সিরিজটায় কন্ডিশন কঠিন ছিল। সহজে বল ব্যাটে আসে এমন পিচে যত সহজে বাউন্ডারি মারা যায় সেরকম পিচ ছিল না। এমন জায়গায় মানিয়ে নেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ, জুটিটাও গুরুত্বপূর্ণ।’
লিটন ফিরে আসায় ওপেনিংয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়ছে বলে মনে করেন প্রিন্স। প্রোটিয়া এ কোচ বলেছেন, ‘ওপেনিংয়ে আমরা বেশ ভালো প্রতিযোগিতা পাচ্ছি। লিটন দাস ফিরে এসেছে, সে এমন কন্ডিশনে সুযোগ পাবে। তো ওপেনিংয়ে এই প্রতিযোগিতাটা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজে তামিম ইকবাল নেই। দলে ফেরা লিটন দাসের জায়গা ওপেনিংয়ে পাকাই দেখছেন প্রিন্স। লিটনের সঙ্গে দলে আছেন ওপেনার সৌম্য, নাঈম শেখ। দলের প্রয়োজনে শেখ মেহেদী হাসানকেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওপেনিংয়ে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ দল।
তবে দ্বিতীয় সারির দল হলেও নিউজিল্যান্ডকে হালকাভাবে নিতে চান না প্রিন্স। তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয় নিউজিল্যান্ড এই কন্ডিশনকে খুব ভালোভাবে বিশ্লেষণ করবে, সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করবে এবং সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সিরিজকে তারা শিক্ষা হিসেবে নিবে। নিউজিল্যান্ড খুব ধৈর্যশীল দল। তারা অবশ্যই আমাদের ব্যাটসম্যান এবং বোলারদের নিয়ে আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করবে এবং পিচ ও কন্ডিশন নিয়েও।’
