গদাইপুরে জমে উঠেছে গাছের চারার হাট

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০২১, ২১:৫৫

পাইকগাছা (খুলনা) সংবাদদাতা

পাইকগাছার গদাইপুরে পাইকারি বাজারে জমে উঠেছে গাছের চারার হাট। হাটে প্রচুরসংখ্যক বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ, ফুল ও ওষুধি গাছের চারা উঠেছে। ক্রেতা-বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের সমাগমে মুখর হয়ে উঠেছে এ হাট।

পাইকগাছা, কয়রা, আশাশুনি, দাকোপসহ দক্ষিণ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ী ও খুচরা ক্রেতারা ভোরবেলার এ হাট থেকে পছন্দমতো বিভিন্ন প্রজাতির চারা কেনেন। বর্ষাকাল বৃক্ষরোপণের উপযুক্ত সময়। আর তাই চারা কিনতে ক্রেতারা ভিড় করছেন হাটে। পাইকগাছার গদাইপুর দক্ষিণ অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী বাজার। এ বাজারে সপ্তাহে শুক্রবার, সোমবার ও বুধবার হাট বসে। হাটে পাইকারি ও খুচরা বিভিন্ন মালামাল বিক্রি হয়। কয়েক বছর যাবত্ গদাইপুর বাজারে ভোরবেলা চারার হাট দক্ষিণ অঞ্চলে ব্যবসায়ী-ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। গদাইপুর নার্সারির জন্য বিখ্যাত। গদাইপুরের নার্সারির চারা দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। গদাইপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ৪০০ থেকে ৫০০ নার্সারি গড়ে উঠেছে। এসব নার্সারিতে উত্পাদিত বিভিন্ন চারা ও কলম নার্সারি মালিকরা ভোরবেলা গদাইপুর হাটে নিয়ে আসছেন। আর ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা খুব ভোরে এসে পছন্দমতো চারা কিনে দক্ষিণ অঞ্চলের বিভিন্ন হাটে বিক্রি করছেন।

গদাইপুর গ্রামের চারা ব্যবসায়ী জাহান আলী মোড়ল জানান, বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় এলাকা লবণপানিতে তলিয়ে গেছে। এ কারণে এবার চারার চাহিদা ও দাম কিছুটা কম। গত বছর সকাল ৮টার মধ্যে সব চারা বিক্রি হয়ে যেত। এ বছর চারা অবিক্রিত থেকে যাচ্ছে। বিক্রি না হওয়ায় খেত ভরা চারা রয়েছে। ফলে নার্সারি মালিকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

পাইকগাছা উপজেলা নার্সারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অশোক কুমার পাল জানান, গদাইপুর এলাকায় সাড়ে ৪০০ নার্সারি রয়েছে। এসব নার্সারি থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় চারা সরবরাহ করা হয়। তবে গদাইপুর বাজারে  ভোরবেলার হাটে প্রচুর চারা উঠছে। ক্রেতারা তাদের পছন্দমতো চারা কিনতে পারছে।