আইপিএল
স্পোর্টস রিপোর্টার
আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হবে আইপিএলের ১৪তম আসরের অবশিষ্ট অংশ। অক্টোবরে যেখানে অনুষ্ঠিত হবে আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ। নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ততা নেই বাংলাদেশ দলের। তাই আইপিএলে খেলতে কোনো বাধা থাকছে না সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমানের। দুই ক্রিকেটারকে আইপিএলে খেলতে পাঠানোর বিষয়ে বিসিবিও ইতিবাচক। হোম সিরিজ শেষে তারা উড়াল দিতে পারবেন।
কয়েক দিন আগে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আইপিএল খেলতে ছাড়পত্র চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন মুস্তাফিজ। এবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সিতে খেলতে সাকিবও অনুমতি চেয়ে বিসিবিকে চিঠি দিলেন।
গতকাল বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেছেন, ‘হ্যাঁ, মুস্তাফিজ অনুমতি চেয়ে কিছুদিন আগেই আবেদন করেছে এবং সাকিব গতকাল (শনিবার) আবেদন করেছে এনওসির জন্য। আমরা ১ তারিখ (সেপ্টেম্বর) ঐ সিদ্ধান্ত নেব।’ তাদের ছাড়পত্র দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘বোর্ড ওদের এনওসির ব্যাপারে পজিটিভ আছে।’
সাকিব-মুস্তাফিজের আইপিএলে অংশগ্রহণকে ভালো সুযোগ মনে করে বিসিবি। আকরাম খানের মতে, এর ফলে দুই ক্রিকেটারের বিশ্বকাপের প্রস্তুতিটা ভালো হবে। গতকাল বিসিবির এ পরিচালক বলেছেন, ‘এটা তো আমাদের জন্য অনেক ভালো একটি সুযোগ যে, আমাদের ক্রিকেটাররা আইপিএলের মতো একটু টুর্নামেন্টে খেলবে। যার স্টান্ডার্ড অনেক উঁচু মানের। তো সেখানে যদি ভালো পারফরম করে, ঐ কন্ডিশনে আমরা বিশ্বকাপ খেলব; ওখানে দলের জন্য খুব উপকার হবে।’
সাকিবরা আইপিএলে গেলেও বাংলাদেশের বাকি ক্রিকেটাররা দেশে বিশ্রামে থাকবেন। বিশ্বকাপের আগে ঘরের মাঠে ক্যাম্পের পরিকল্পনা নেই। তবে ওমানে এক সপ্তাহের ক্যাম্প করতে চায় বিসিবি। এখানেই প্রথম রাউন্ড খেলবে বাংলাদেশ দল। আকরাম খান বলেছেন, ‘ক্রিকেটাররা অনেক ক্লান্ত, গত সাত-আট মাসে ওরা অনেক খেলেছে। তো ক্যাম্পের ব্যাপারটা পুরোপুরি নির্ভর করছে টিম ম্যানেজমেন্টের ওপর। খুব সম্ভব ওরা একটা বিরতি চাইবে, যেহেতু ওখানে গিয়েও বায়োবাবলের ব্যাপার আছে।’
