দেশের ফুটবলে পাতানো খেলার অভিযোগ পুরোনো। এবার যুক্ত হলো স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ। এ অভিযোগে শাস্তি দেওয়া হয়েছে প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ হতে সদ্য অবনমন হয়ে যাওয়া আরামবাগ ক্রীড়া সংঘকে।
ঢাকার ফুটবলের এক সময়ের আন্ডারডগ আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের বিরুদ্ধে রয়েছে ক্যাসিনোকাণ্ডের অভিযোগও। এবারের প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে ২৪টি ম্যাচের মধ্যে (২ জয় আর ২ ড্র) ২০ টিতেই হেরেছে আরামবাগ। মাত্র ৮ পয়েন্ট পেয়ে অবনমন হয়ে গেছে দলটির। নিয়ম অনুযায়ী প্রিমিয়ার লিগ হতে নেমে যাওয়া দল দ্বিতীয় সারির লিগ বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে খেলবে। কিন্তু স্পট ফিক্সিংয়ে অভিযুক্ত হয়ে আরামবাগ আগামী ২ বছর চ্যাম্পিয়নশিপ লিগেও খেলতে পারবে না। খেলতে হবে তৃতীয় সারির লিগ প্রথম বিভাগ ফুটবল। সেজন্য ৫ লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হবে। দলের সঙ্গে নিষিদ্ধ হয়েছে কোচিং স্টাফ, গেম এনালিস্ট, প্লেয়ার এজেন্ট, ফিটনেস ট্রেইনার। এর মধ্যে রয়েছেন ভারতীয় তিন নাগরিক, এক জন অস্ট্রেলিয়ান ফুটবলার ও নাইজেরিয়ান এক ফুটবলার।
আজীবন নিষিদ্ধ হয়েছেন পৃষ্ঠপোষক ও প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মিনহাজুল ইসলাম মিনহাজ এবং কোচিং স্টাফ ভারতীয় নাগরিক। বিভিন্ন মেয়াদে নিষিদ্ধ হয়েছেন দলের ১৪ ফুটবলার। এক জনকে ৫ বছর, ৮ ফুটবলারকে তিন বছর, ৫ ফুটবলারকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ বলেন, ‘গত ফেব্রুয়ারিতে এএফসি হতে জানানো হয় আরামবাগের স্পট ফিক্সিংয়ের বিষয়টি। এটি নিয়ে বাফুফের পাতানো খেলা শনাক্তকারী কমিটি এবং ডিসিপ্লিনারি কমিটি আরামবাগের খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলেছে। এ প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত দেন তারা।’ (আরো খবর খেলার পাতায়)।
