‘মেগা প্রকল্পের বাইরে ৩৩টি খাল থাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন নিয়ে সংশয়’

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২১, ২৩:২২

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারের প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকার দু’টি মেগা প্রকল্প চলমান রয়েছে। এগুলো মূলত সিডিএ বাস্তবায়ন করছে। নগরীতে ৫৭টি খলের মধ্যে ৩৩টি খাল সিটি করপোরেশনের মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। এই খালগুলোর পুনরুদ্ধার সংস্কার ছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসন কতটুকো সফল হতে পারে তা বুঝতে পারছি না। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন খালের ওপর যে বাঁধগুলো দেওয়া হয়েছি েএবং এখনো আছে সেগুলো অপসারণের কথা দিয়েও তা করা হয়নি। এ কারণে এবার বর্ষা মৌসুমে নগরীতে জলাবদ্ধতা প্রকট হয়েছে, ফলে নালা-নর্দমা-খালে পড়ে গিয়ে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। গতকাল রবিবার  চসিক ৬ষ্ঠ নির্বাচিত পরিষদের ৭ম সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী একথা বলেন।

চসিকের পুরাতন নগর ভবনের কে.বি আবদুচ সাত্তার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় মেয়র আরো বলেন, পরিচ্ছন্ন বিভাগে দক্ষ ও যোগ্য জনবল এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাব রয়েছে। আবার বাড়তি ও অপ্রয়োজনীয় জনবলও রয়েছে। নগরীর নালা-নর্দমা-খাল সংস্কারের জন্য ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। আশা করি, তা অনুমোদিত হবে। পরিচ্ছন্নতা সুরক্ষায় আপাতত নগরীর দু-একটি ওয়ার্ডের আবাসিক এলাকায় আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা সেবা দেওয়া যায়। তবে এজন্য বাড়তি ট্যাক্স আদায়েরও কোনো সুযেগ নেই। কারণ নগরবাসী এই খাতে একবার ট্যাক্স দিতে অভ্যস্ত। তিনি আরো জানান, নগরায়ণের ক্ষেত্রে ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হবে এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে শিশু পার্ক স্থাপন করা হবে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনর সচিব খালেদ মাহমুদের সঞ্চালনায় চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলম, প্যানেল মেয়র, ওয়ার্ড কাউন্সিলর, সংরক্ষিত কাউন্সিলর, বিভাগীয় ও শাখা প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।