আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বনশ্রী শাখার অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগমের অবৈধ সম্পদের খোঁজে মাঠে নামছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তার বিরুদ্ধে ভর্তি বাণিজ্য, বিদ্যালয়ে নিয়মবহির্ভূত উপায়ে ভর্তি বাণিজ্য, আর্থিক অনিয়ম ও এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের প্রাথমিক যাচাই বাছাই শেষে গতকাল রবিবার কমিশনের নিয়মিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আতাউর রহমান সরকারকে অভিযোগটির অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, এর আগে অধ্যক্ষ শাহান আরার বিরুদ্ধে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে দুর্নীতির একটি অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছিল। এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে ভর্তি বাণিজ্যসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ আসে। দুটি অভিযোগই অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয় সহকারী পরিচালক আতাউর রহমানকে।
অভিযোগে বলা হয়, এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ, ভর্তি বাণিজ্যসহ বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে ঐ অধ্যক্ষ জ্ঞাতআয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। আইডিয়াল স্কুলের বনশ্রী শাখার প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও ফরম পূরণ, ভর্তি বাণিজ্য ও বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
দুদকে পেশ করা অভিযোগে বলা হয়, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টরা পরস্পরের যোগসাজশে মেধাবী ছাত্রদের বাদ দিয়ে অবৈধ অর্থের বিনিময়ে অকৃতকার্য কয়েক শ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করিয়েছেন। ভর্তি বাণিজ্যের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে তাদের বিরুদ্ধে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
