মানবসম্পদ গড়ে তোলার মতো গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু নেই

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২১, ২১:১৪

প্লেসমেন্ট অটোমেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী

ইত্তেফাক রিপোর্ট

আমরা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ডিজিটাল যুগে বাস করছি। আমাদের অবশ্যই চতুর্থ শিল্পবিপ্লব থেকে সুবিধা নিতে হবে কারণ এটি দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলছে। বর্তমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ যৌথ প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং দক্ষতা দিয়ে দেশের বৃহত্ জনগোষ্ঠীকে মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য সরকার নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। মানবসম্পদ গড়ে তোলার চেয়ে কিছুই গুরুত্বপূর্ণ নয়। গতকাল সোমবার ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) আয়োজিত ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে ‘সিএ শিক্ষার্থী ও আইসিএবির সদস্যদের প্লেসমেন্ট অটোমেশন’-এর উদ্বোধন কালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তরুণরা কারিগরি শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে। আমাদের দেশে কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির সংখ্যা ২০০৯ সালে ছিল ১ শতাংশ এবং ২০২০ সালে বৃদ্ধি পেয়ে ১৭ শতাংশ হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে বেরিয়ে আসে। সে চাকরি পাচ্ছে না। আবার, নিয়োগকর্তা বলেছেন যে, তিনি সঠিক ব্যক্তিকে খুঁজে পাচ্ছেন না। একটা দূরত্ব আছে, একটা ফাঁক আছে, সেটা কাটিয়ে উঠতে হবে।

অনুষ্ঠানে আইসিএবি প্রেসিডেন্ট মাহমুদউল হাসান খসরু এফসিএ স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবং কাউন্সিল সদস্য এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট কামরুল আবেদিন এফসিএ সেশন চেয়ারম্যান হিসেবে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। আইসিএবির ভাইস প্রেসিডেন্ট মারিয়া হাওলাদার এফসিএ ‘সিএ স্টুডেন্টস অ্যান্ড মেম্বার্স প্লেসমেন্ট অটোমেশন’ বিষয়ে প্রবন্ধ  উপস্থাপন করেন। তিনি ব্যবহারকারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে এই পোর্টালের কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করেন।

আইসিএবি সভাপতি মাহমুদউল হাসান খসরু এফসিএ বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বাজারে প্রার্থীদের শিক্ষা, অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতার সঠিক সমন্বয় প্রয়োজন। তিনি বলেন, আইসিটি হলো আজকের ব্যাবসায়িক মডেলগুলোর পরিবর্তন নির্মাতা। নিয়োগকর্তারা দক্ষ জনশক্তি খুঁজছেন যেখানে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে অদক্ষ শ্রমিক তৈরি করছে।  চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে একটি বড় ব্যবধান রয়েছে এবং এই ব্যবধান কমিয়ে আনার জন্য আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে সময়ের চাহিদার সঙ্গে নতুন করে গড়ে তুলতে হবে, যেটি দক্ষ প্রশিক্ষণ, ব্যাবহারিক শিক্ষা এবং শেখার মতো মানবসম্পদ তৈরি করবে।