স্পোর্টস রিপোর্টার
অস্ট্রেলিয়ার দলটা পূর্ণ শক্তির ছিল না। প্রতিবেশীদের পর নিউজিল্যান্ড পাঠিয়েছে দ্বিতীয় সারির দল। র্যাংকিংয়ের ১০ নম্বর দল বাংলাদেশ অবশ্য প্রতিপক্ষের ভাঙাচোরা স্কোয়াড নিয়ে চিন্তিত নয়। অক্টোবরেই অনুষ্ঠিত হবে টি-২০ বিশ্বকাপ। আর বিশ্বকাপের আগে এটাই শেষ সিরিজ। তাই সবকিছু ছাপিয়ে সিরিজ জয়কেই গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।
গতকাল এমনটাই বলেছেন হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই বিশ্বকাপে যেতে চান। বৃষ্টি, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে কন্ডিশন ব্যাটিং সহায়ক নাও হতে পারে। তারপরও প্রোটিয়া এ কোচের চাওয়া অন্তত মিরপুরের উইকেটের স্বাভাবিক স্কোর, তথা ১৫০-১৬০ রানের ম্যাচ।
আগামীকালই শুরু হবে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজ। র্যাংকিংয়ের তিন নম্বর দল নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করলেই র্যাংকিংয়ে উন্নতি হবে বাংলাদেশের। পাঁচে উঠে আসবে টাইগাররা।
বিশ্বকাপের আগে শেষ সিরিজটা জয়ের দিকেই ফোকাস করছেন ডমিঙ্গো। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘সিরিজ জয়টা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ঘরের মাঠে খেলছি। তাই আমরা বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চাই।’ গতকাল বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যার পরও অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল। মিরপুরে ফ্লাডলাইটের আলোয়ও নিজেদের ঝালিয়ে নিয়েছেন টাইগাররা।
অস্ট্রেলিয়ার সিরিজে স্লো, লো উইকেটে খেলেছিল বাংলাদেশ। ব্ল্যাক ক্যাপসদের বিরুদ্ধে একটু ভালো উইকেট আশা করছেন ডমিঙ্গো। উইকেটের কন্ডিশন জানতে চাইলে হেড কোচ বলেছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমি তো মাঠকর্মী নই। আমি কেবল ভালো উইকেটের আশাই করতে পারি। বছরের এই সময়টাতে আর্দ্রতা এবং বৃষ্টি থাকে, সূর্যের দেখা খুব একটা পাওয়া যায় না। হয়তো একটা কঠিন এই সময়ে ঐ ধরনের উইকেট পাওয়া, যা আপনি বছরের অন্য সময়ে পাবেন। আমি ভালো উইকেটের আশা করছি। আমরা জানি, ভালো উইকেটে ব্যাটিং করা এবং ব্যাটিং লাইন আপের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো কতটা গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাচ জেতা, আত্মবিশ্বাস অর্জনের গুরুত্বটাও আমরা বুঝি।’
মিরপুরের উইকেটে এবার কিছুটা রান আশা করছেন বাংলাদেশের কোচ। ডমিঙ্গো বলেছেন, ‘আমার ধারণা, মিরপুরের স্বাভাবিক ও ভালো উইকেটই পাওয়া যাবে এই সিরিজে, যেখানে ১৫০-১৬০ রান হবে ভালো স্কোর।’
ব্যাটিংয়ে বড় স্কোর না পেলেও ডমিঙ্গোর মতে, জয়ের ধারায় থাকা, বোলারদের ফর্মে থাকার গুরুত্বও কম নয়। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘ব্যাটিং কন্ডিশন সত্যিই খুব কঠিন। ভালো হবে যদি আমরা বড় কিছু স্কোর পাই, কিন্তু এটা নির্ভর করছে কন্ডিশনের ওপর। আমার মনে হয়, বোলিংয়ে আত্মবিশ্বাস অর্জন এবং জয়ের অভ্যাস তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে. আমরা সেটা অব্যাহত রাখছি।’
