এএফসিকেও জানানো হয়েছে
স্পোর্টস রিপোর্টার
স্পট ফিক্সিংয়ে অভিযুক্ত আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের বিষয়টি এএফসিকে জানানো হয়েছে। বহিষ্কৃত ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফের কেউ যেন এশিয়ার কোথাও খেলতে না পারে, কাজ করতে না পারে তার জন্য এএফসিকে জানানো হয়েছে। স্পট ফিক্সিংয়ে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘকে প্রথম বিভাগে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে দুই বছর খেলে তৃতীয় বছর চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে খেলতে পারবে। সেখানে চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে আবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে খেলার সুযোগ পাবে।
অভিযোগ উঠেছে দেশের ফুটবলে ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত ছিল আরামবাগ। এই দলের খেলোয়াড়, অফিশিয়াল, কোচিং স্টাফ, লাইভ বেটি, স্পট ফিক্সিং, ম্যাচ ম্যানিপুলেশন, অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং কর্মকর্তাদের বিভিন্ন মেয়াদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। শাস্তি পাওয়াদের মধ্যে ১৪ ফুটবলার রয়েছেন, এক জন নাইজেরিয়ান, এক জন অস্ট্রেলিয়ান তিন জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। এদের মধ্যে ক্লাবের সভাপতি মিনহাজুল ইসলাম মিনহাজ, ম্যানেজার গওহর জাহাঙ্গীর রুশো, সহকারী ম্যানেজার আরিফ হোসেন, ফিটনেস ট্রেইনার ভারতীয় নাগরিক মাইদুল ইসলাম শেখ আজীবন নিষিদ্ধ হয়েছেন। খেলোয়াড়রা পাঁচ বছর তিন বছর দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন।
বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ জানিয়েছেন বিষয়টি তারা এরই মধ্যে এএফসিকে জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া যায় কি না, সেটিও ভেবে দেখছে বাফুফে।
