জনদুর্ভোগ চরমে
চাটমোহর (পাবনা) সংবাদদাতা
চাটমোহর পৌরসভার অধিকাংশ সড়ক এখন খানাখন্দে ভরা। ভাঙা অংশে বৃষ্টির পানি জমে থাকে প্রায়ই। এতে মাঝেমধ্যেই ঘটছে দুর্ঘটনা। সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়েছে পথচারী ও এলাকাবাসী। অধিকাংশ সড়কই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরসভার ব্যস্ততম সড়ক বাসস্ট্যান্ড থেকে নার্সারি মোড়। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে অসংখ্য যানবাহন ও সাধারণ মানুষ। কিন্তু সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। যানবাহনও গর্তে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভাঙা সড়কের পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। সড়কটি কবে নাগাদ সংস্কার করা হবে, তা জানেন না কেউই। একই অবস্থা উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রবেশের সড়কের। উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনেই গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সবসময় সেখানে জমে থাকে পানি। কাদাপানি মারিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও উপজেলা পরিষদে কাজে আসা মানুষজনকে। মঙ্গলবার উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ সড়কের বেহাল অবস্থার চিত্র তুলে ধরে তা সংস্কারের দাবি জানান কমিটির সদস্যরা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সৈকত ইসলাম জানান, সড়কটিতে চরম ভোগান্তি শুরু হয়েছে। এটি সংস্কার করার দায়িত্ব পৌরসভার। যদি পৌরসভা সংস্কার না করে তাহলে উপজেলা পরিষদ থেকে জরুরি ভিত্তিতে গর্ত ভরাট করা যেতে পারে।
এদিকে চাটমোহর নতুন বাজার থেকে পুরাতন বাজার হয়ে হাসপাতাল পর্যন্ত প্রধান সড়টির অবস্থাও করুণ। বিগত কয়েক বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়কের মাঝখানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে জমে গেছে পানি। এতে যানবাহন ও সাধারণ মানুষকে চলাচলে করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এছাড়া পৌর ভবনে যেতে ২ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট শালিখা মহল্লার সড়কটিও বেহাল। এ সকল সড়ক জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করা না হলে জনদুর্ভোগ ক্রমেই বাড়বে। পৌরসভাবাসী সড়কগুলো দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন সাখো বলেন, করোনার কারণে পিছিয়ে গেছে উন্নয়ন কাজ। তবে বেহাল সড়কগুলো সংস্কারে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বরাদ্দ চেয়ে চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি। বরাদ্দ এলে রাস্তার কাজ করা হবে।
