ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
আরফিন শরিয়ত, বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর দেড় বছরেরও বেশি সময় পার হয়েছে, এর মধ্যে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে শর্ত সাপেক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খোলার ঘোষণাও হয়েছে। কিন্তু আগের জরাজীর্ণ পরিস্থিতিতে পড়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টার। করোনা ভাইরাস কিংবা ডেঙ্গুর মতো রোগের প্রাদুর্ভাবে পর্যাপ্ত জরুরি চিকিত্সার ব্যবস্থা নেই এখানে। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকাকালীন দীর্ঘ সময় হাতে পেলেও কোনো ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হওয়ার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের করোনা কিংবা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলেও তাত্ক্ষণিক চিকিত্সা সেবা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে ।
সক্ষমতার অভাবের কথা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান মেডিক্যাল অফিসার ড. সরওয়ার জাহান মুক্তাফী বলেন, ‘করোনা কিংবা ডেঙ্গু কোনো চিকিত্সার সক্ষমতা আমাদের নেই। মেডিক্যাল ও খেলার মাঠে ৫০টি শয্যা নিয়ে কোয়ারেন্টাইন কিংবা আইসোলেশান সেন্টার করার নির্দেশনা দিয়েছেন উপাচার্য । আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছি।’
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, মেডিক্যাল সেন্টারে আইসোলেশান সেন্টারের জন্য ২৫টি শয্যা এবং কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে খেলোয়াড়দের রুমে ২৫টি শয্যা প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মেডিক্যাল সেন্টারের তৃতীয় তলা আইসোলেশানের জন্য নির্দিষ্ট করা হলে ডেঙ্গু কিংবা অন্যান্য রোগীদের চিকিত্সাব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। খেলার মাঠে আইসোলেশান সেন্টার তৈরি করলে খেলাধুলার জায়গা কোথায়?
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, প্রভোস্ট কমিটির সভায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আইসোলেশান সেন্টার তৈরিসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণের কথা সেখানে হয়েছে।
