‘ইউটিউব নির্ভরতায় যেহেতু একটু পরিবর্তন এসেছে, মানুষ বিভিন্ন ঘরানার কন্টেন্ট দেখতে চাচ্ছে, সেহেতু আমরাও সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখে কাজ করার চেষ্টা করছি। এর মাঝে গান, নাটক থেকে শুরু করে নানা ধরনের কাজ থাকছে। বলতে পারেন, আমাদের সংস্কৃতির একটা আর্কাইভ তৈরির লক্ষ্যে ঢুলি কাজ করছে।’—নিজের প্রডাকশন হাউজ ঢুলির কার্যক্রম নিয়ে কথাগুলো বললেন সংগীতশিল্পী লুশা মির্জা। এছাড়া নিজের গানের ব্যস্ততা নিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘সম্প্রতি এমনও দিনে তারে বলা যায় শিরোনামের একটি রবীন্দ্রসংগীত রিলিজ দিয়েছে। পাশাপাশি মেঘের পরে মেঘসহ বেশ কয়েকটি রবীন্দ্র ও আধুনিক গানের কাজ চলছে।’ এদিকে দেশের বেশিরভাগ অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এখন গানের চেয়ে নাটক বা অন্যান্য ইউটিউব কন্টেন্টের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। এই চর্চা গানের ক্ষেত্রে কতটা প্রভাব ফেলছে?—এমন প্রশ্নে লুশা বলেন, ‘আগে আমরা সিডি বা ক্যাসেট টাকা দিয়ে কিনে গান শুনতাম। কিন্তু নতুন প্রজন্ম ফ্রি গান শোনায় অভ্যস্ত হচ্ছে। এতে করে একটি গান তৈরিতে যে খরচ হচ্ছে সেটা তো উঠে আসছে না। যদি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান লগ্নি তুলতে না পারে তাহলে তো আগ্রহ হারাবেই।’ এছাড়া ভিউ বাণিজ্য নিয়ে তিনি বলেন, ‘ভিউ গুণে গান বা শিল্পী বিচার ঠিক না। ভালো গানের ভিউ কম হলেও কিন্তু দীর্ঘদিন টিকে থাকে। কিন্তু ভাইরাল হওয়া গান কিন্তু দ্রুতই মানুষ ভুলে যাচ্ছে। শর্টকার্ট আসলে তারকা হওয়া যায় না।’
