রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া এবং গোদাগাড়ীতে হাত, পা ও মুখ বেঁধে দুজনকে খুনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা হয়েছে। সোমবার রাতে নগরীর শাহ্ মখদুম এবং জেলার গোদাগাড়ী মডেল থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দুটি দায়ের করা হয়। তবে বুধবার দুপুর পর্যন্ত পুলিশ কাউকে শনাক্ত কিংবা গ্রেফতার করতে পারেনি।
পুলিশ জানায়, সোমবার রাতে গোদাগাড়ী উপজেলার লালাদীঘি গ্রামে ইজারা নেওয়া পুকুরের টংঘরে মাছচাষি মাসুদ রানা খুন হন। উপজেলার চাপাল গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রশিদের ভাগনে ও উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আলমগীর কবীর স্বপনের সহোদর। মঙ্গলবার ভোরে তাদের পুকুরে মাছ ধরার কথা ছিল। এ জন্য সোমবার রাতে মাসুদ ও লিটন নামের দুজন টংঘরে ছিল। গভীর রাতে একদল চোর দুজনের হাত, পা ও মুখ বেঁধে রেখে পুকুরে মাছ ধরতে নামে। মুখ বাঁধা থাকায় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে মাসুদ মারা যান। পরে মাসুদ ও লিটনের ঠিক করা জেলেরা পুকুরে মাছ ধরতে আসলে চোরেরা জাল ও মাছ ফেলেই পালিয়ে যায়।
অন্যদিকে সোমবার রাতে মহানগরীর নওদাপাড়ার একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চার্জের গ্যারেজের নাইটগার্ড আনিসুর রহমান নারাকে (৭০) হাত, পা ও মুখ বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে চোরেরা ঐ গ্যারেজ থেকে একটি অটোরিকশা চুরি করে নিয়ে যায়।
