বাংলাদেশের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক মসজিদ

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:১৬

গত একুশে ফেব্রুয়ারির বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে ইতিহাস ও প্রত্ন গবেষক গোলাম আশরাফ খান উজ্জ্বলের ‘বাংলাদেশের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক ১০০ মসজিদ’ গ্রন্থটি। এই গন্থে লেখক দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠিত অসংখ্য মসজিদ থেকে বাছাই করে ১০০ মসজিদের বিবরণ মলাটবন্দি করেছেন। এই ১০০ মসজিদের মধ্যে এমন কিছু মসজিদের বর্ণনা এই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হয়েছে, যা এর আগে অন্য কোনো গ্রন্থে স্থান পায়নি। এর মধ্যে দেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা লালমনিরহাটের হারিয়ে যাওয়া মসজিদ উল্লেখযোগ্য, যেটিকে লেখক বাংলাদেশের প্রথম মসজিদ (৬৯০খি.) হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। মুন্সীগঞ্জের ধ্বংসপ্রাপ্ত (৪২১ হি.) বারো আউলিয়া মসজিদ, যে মসজিদ বর্তমানে পুনর্নির্মিত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলার ঘোলদারী শাহী মসজিদও পুরোনো (৪১৩ হি.)। এই মসজিদ তিনটি একেবারেই নুতনভাবে উপস্থাপিত হয়েছে এখানে। এছাড়া গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদ, মৌলভীবাজার খোঁজা মসজিদ, ফরিদপুরের সাতৈর ও পাথরাইল মসজিদ, মুন্সীগঞ্জের পাথরঘাটা মসজিদ ও মীর সাহেব মসজিদ নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে। ষাটগম্বুজ মসজিদ, ছোট সোনা মসজিদ, শাহজালাল দরগা মসজিদ, চট্টগ্রাম আন্দরকান্দি মসজিদ, বাবা আদম মসজিদ, পরবাজপুর মসজিদের আলোচনা তো আছেই। চমত্কার এই গ্রন্থের ফ্ল্যাপ লিখেছেন দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার ধর্মচিন্তা পাতার বিভাগীয় সম্পাদক ফাইজুল ইসলাম। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে সৃজনী প্রকাশনী। প্রচ্ছদ এঁকেছেন মশিউর রহমান। গ্রন্থটির মূল্য ৩৫০ টাকা মাত্র। বইটি মুসলিম স্থাপত্য বিষয়ে অনুসন্ধানী গবেষকসহ সাধারণ পাঠকদের জানার তৃষ্ণাকে কিছুটা হলেও তৃপ্ত করবে বলে বিশ্বাস রাখি। 

lলেখক :সাংবাদিক