নোয়াখালীর সেনবাগ থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল কৌশলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ মামলার আসামি আয়মন ভূঁইয়াকে (২৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সী-বিচ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সেনবাগে বান্ধবীর বাড়িতে জন্মদিনের অনুষ্ঠান থেকে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে (২২) জোরপূর্বক তুলে নিয়ে আলোচিত ধর্ষণ মামলার আসামি ছিল আয়মন ভূঁইয়া। আইমন সেনবাগ উপজেলার কাদরা ইউয়িনের নন্দীরপাড় গ্রামের মো. মোস্তফা ভূঁইয়ার ছেলে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সেনবাগ থানার এসআই মো. তারেক ঘটনার বিবরণ দিয়ে ইত্তেফাককে জানান, উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের নন্দীরপাড় গ্রামে বান্ধবীর বাড়িতে জন্মদিনের অনুষ্ঠান থেকে গত ২০ আগষ্ট রাতে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে (২২) একই এলাকার সন্ত্রাসী আয়মনসহ তার সহযোগীরা জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় ২৩ আগষ্ট ভিকটিম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় তিনজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর জবানবন্দিতে ভিকটিম ধর্ষর্ণের ঘটনা স্বীকার করে এবং ডাক্তারি পরীক্ষায়ও ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়।
এসআই মো. তারেক আরো জানান, আলোচিত ধর্ষণ ঘটনার পর থেকে পুলিশ আসামিদের গ্রেফতারের জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ব্যর্থ হয়। এরপর কৌশল পরিবর্তন করে এক নারীকে দিয়ে আসামিদের সঙ্গে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অভিযান সফল হয়। নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ সময় কাটানোর লোভে চট্রগামের সী-বিচ এলাকায় বুধবার সন্ধ্যায় আয়মন ভূঁইয়া দেখা করতে এসে পুশিশের জালে আটকা পড়েন।
সেনবাগ থানার (ওসি) আবদুল বাতেন মৃধা ইত্তেফাককে জানান, আলোচিত ধর্ষণ মামলার আসামি আয়মনকে পাঁচদিনের রিমাণ্ড আবেদন জানিয়ে বৃহস্পতিবার নোয়াখালীর বিচারিক হাকিম আদালতের প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি দুই আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
ইত্তেফাক/এসজেড
