কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে সাব-রেজিষ্ট্রার ও সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসের কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের। যেকোনো সময় ঘটে যেতে পাড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
ভূমি রেজিষ্ট্রেশন করতে আসা মকবুল হোসেন বলেন, আমার জানা মতে সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসের মাধ্যমে সরকার প্রতি বছর কয়েক শত কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে থাকেন। কিন্তু অফিস ভবনের যে অবস্থা তাতে করে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবেনা।
সূত্র জানায়, ১৯৯১ সালে উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত হলে তৎকালীন মুন্সেফি আদালত ভবন (বর্তমানে সহকারী জজ আদালত ভবন) গুলো জেলা সদরে স্থানান্তরিত হলে সরকারি আদেশে ঐ আদালত ভবনগুলোকে সাব-রেজিষ্ট্রারের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহারের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয় এই ধারাবাহিকতায় রাজারহাট উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত আদালত ভবনটিতে সাব-রেজিষ্ট্রারের কার্যালয় ও সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ভবনটি ঘুরে দেখা যায় দীর্ঘ দিন ভবনটির কোনো সংস্কার কাজ না করায় দেয়াল ড্যাম হয়ে প্লাস্টার খসে পড়ছে, কোথাও কোথাও ছাদের প্লাস্টার খসে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এমন কি রুমের ভিতর পানি জমে আছে। সামান্য বৃষ্টিতে পানি চুয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে আসবাব পত্র। রেকর্ড রুমে রক্ষিত বালাম বহি, গুরুত্ব পূর্ণ নথি পত্র পলিথিনে মুড়িয়ে কোনো রকমে রক্ষাকরার চেষ্টা করা হয়েছে। যেকোনো সময় ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে সব চেষ্টা।
সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত পেশকার আমিনুল হক জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ চুয়ে পানি পড়ে রুমের ভিতরের আসবাবপত্র ও ফাইল পত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবগত করেছি। এ বিষয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত সাব-রেজিষ্ট্রার রায়হান হাবীব জানান, প্রকৃত অবস্থা উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।
ইত্তেফাক/এসআই
