প্রকৃত ইতিহাস ভুলিয়ে মিথ্যাচার করছে আওয়ামী লীগ :ফখরুল

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:৫০

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ নিজেদের যদি একবার জিজ্ঞাসা করে তাদের অবদান কী দেশের জন্য? তাদের অবদান হচ্ছে পাকিস্তানের কাছে আত্মসমর্পণ করা। তাদের ইতিহাস হচ্ছে ভারতে পালিয়ে যাওয়া। ভারতে পালিয়ে গিয়ে নেতা সাজা, অথচ নিজেদের তারা মনে করে তারাই দেশকে স্বাধীনতা দিয়েছে। তারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। বিএনপির ইতিহাস হচ্ছে এ দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, ৪৩ বছরের ইতিহাস হচ্ছে গণতন্ত্রের ইতিহাস, জাতিকে একটি অস্তিত্ব প্রদানের ইতিহাস।

মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায় আওয়ামী লীগ। প্রকৃত ইতিহাস ভুলিয়ে মিথ্যাচার করছে। সত্যকে মিথ্যা প্রমাণ করে কোনো লাভ হবে না ।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

সভায় আরো বক্তব্য দেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর রায়, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) শাহজাহান ওমর, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি প্রমুখ।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে বক্তব্য দেন, যা বড় পর্দায় দেখানো হয়।

বিএনপির ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ আন্দোলনকে ‘গণঅভ্যুত্থানের’ রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নিতে বলেন। তিনি বলেন, আজকে আমাদের দায়িত্ব বিএনপির নেতা হিসেবে, কর্মী হিসেবে দেশের সমস্ত মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। সমস্ত গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে আজকে আমাদেরকে অবশ্যই এ যুদ্ধে জয়লাভ করতে হবে।

 খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপিকে ভয় পায় বলে আওয়ামী লীগ আবোল-তাবোল বলে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার পদত্যাগ হবে প্রথম কথা। পদত্যাগ না করলে পতন হবে চূড়ান্ত কর্মসূচি। এ জন্য প্রস্তুত হতে হবে। স্বৈরাচার সরকার আপসে যায় না। আন্দোলন করতে হবে। সবাইকে নামতে হবে।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, যারা বলে জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করেননি, গুলি করেননি, তারা যুদ্ধাপরাধী। তারা স্বাধীনতা স্বীকার করে না।

জিয়াউর রহমান পাকিস্তানিদের গুলি ছুড়েছেন এমন নজির নেই প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের জবাবে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন ব্রিগেড কমান্ডার। ব্রিগেড কমান্ডাররা গুলিবর্ষণ করেন না। গুলিবর্ষণ করেন সিপাহি হাবিলদার, ক্যাপ্টেনসহ অন্যরা।