জিজ্ঞাসাবাদের পর রয়টার্সের সাংবাদিককে ফেরত পাঠিয়েছিল লেবানন

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৩৮

লেবাননের কর্তৃপক্ষ গত মাসের শুরুতে বৈরুত বিমানবন্দরে নামা বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক সাংবাদিককে জিজ্ঞাসাবাদ ও রাতভর আটকে রাখার পর তাকে জর্ডানে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছিল।

জর্ডানের নাগরিক সুলেইমান আল-খালিদি ২ আগস্ট বৈরুতে নামার পর বিমানবন্দরের পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা তাকে আটকান এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাশে সরিয়ে নেন। খালিদি জানান, এ সময় কর্মকর্তারা তাকে তার অফিসের ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন জমা দিতে বলেন। কী জন্য এগুলো জমা দিতে হবে, সে সম্বন্ধে সুস্পষ্ট কারণ না দেখানোয় এ সাংবাদিক সেগুলো দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ডিপোর্টেশন সেন্টারে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং পরদিন জর্ডানের একটি ফ্লাইটে তুলে দেওয়া হয়, বলেছে বার্তা সংস্থাটি। রয়টার্সের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘সাংবাদিক সুলেইমান আল-খালিদির সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করা হয়েছে লেবানন সরকারের কাছে আমরা তার প্রতিবাদ জানিয়েছি; কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা এ ঘটনা সংক্রান্ত আরো তথ্য চেয়েছি, যারা তাদের কর্মকাণ্ডের কোনো ব্যাখ্যা আমাদের দেয়নি।’ এর প্রতিক্রিয়ায় লেবাননের জেনারেল ডিরেক্টরেট অব জেনারেল সিকিউরিটি জানিয়েছে, লেবাননের আইন মুক্ত গণমাধ্যমের পরিবেশের নিশ্চয়তা দেয়। তারা বলেছেন, ‘তার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরিই লেবানন রাষ্ট্রের নেওয়া সার্বভৌম সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে তার কাজ বা পেশার কোনো সম্পর্ক নেই’। খালিদিকে দেশে ঢুকতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত রদ হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানাননি তারা।

জর্ডান ও সিরিয়ায় রয়টার্সের প্রধান প্রতিবেদকের দায়িত্ব পালন করা খালিদি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাটিতে ২৫ বছর ধরে কাজ করছেন। তিনি সিরিয়া ও জর্ডানের যুদ্ধ-সংঘাত কভার করে যাচ্ছেন। রয়টার্সের এ পরিচিত মুখ ইরাক, লেবানন, লিবিয়া ও উপসাগরীয় অন্যান্য দেশ থেকেও প্রতিবেদন পাঠান।