লাইলাহ ফার্নান্দেজ
স্পোর্টস ডেস্ক
দিনটা ছিলই যেন টিনএজারদের (১৩-১৯ বছর বয়সি) জন্য। প্রথমে পুরুষ এককে তিন নম্বর বাছাই স্তেফানোস সিটসিপাসকে হারিয়ে চমক দেখান ১৮ বছর বয়সি কার্লোস আলকারাজ। এর এক ঘণ্টা পরেই নারী এককে বড় অঘটনের জন্ম দেন লাইলাহ ফার্নান্দেজ। কানাডার ১৮ বছর বয়সি এই তরুণী কাছে হেরে তৃতীয় রাউন্ডেই ইউএস ওপেন থেকে ছিটকে যান বর্তমান চ্যামিপয়ন নাওমি ওসাকা।
আর্থার অ্যাশে স্টেডিয়ামে লাইলাহর শক্তিশালী ফোরহ্যান্ডের কাছে প্রথম সেট থেকেই ভুগতে হয়েছে ওসাকাকে। তবুও প্রথম সেটটি ৭-৫ গেমে জিতেন তিনি। কিন্তু এরপর ছন্দ হারানোর সঙ্গে সঙ্গে মেজাজও হারিয়ে ফেলেন এই জাপানিজ কন্যা। তাই টাইব্রেকারে দ্বিতীয় ৬-৭ (২-৭) গেমে হারের পর তৃতীয় সেটেও হেরে বসেন ৪-৬ গেমে।
এই হার ওসাকাকে এতটাই প্রভাবিত করেছে যে, টেনিস থেকে ফের বিরতিতে যাচ্ছেন তিনি। ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকে প্রত্যাহারের পর উইম্বলডন না খেলা ওসাকা বলেন, ‘আমি এমন এক অবস্থায় রয়েছি যেখানে আমি নিজেই জানি না আমি কী চাই। সত্যি বলতে আমি জানি না, কবে আমি নিজের পরের টেনিস ম্যাচ খেলব। আমার মনে হয়, আমি খেলা থেকে আপাতত কিছু দিনের বিরতি নেব।’ এক ঘণ্টা আগে ঠিক ওসাকার জায়গায় দাঁড়িয়েছিলেন সিটসিপাস। ‘টয়লেট ব্রেক’ বিতর্ককে সঙ্গী করে এগোচ্ছিলেন এই গ্রিক টেনিস তারকা। কিন্তু রাফায়েল নাদালের উত্তরসূরী হিসেবে বিবেচিত আলকারাজের সামনে পড়ে শেষ হয় তার দৌড়। পাঁচ সেটের ম্যারাথন লড়াইয়ে ৩-৬, ৬-৪, ৬-৭ (২-৭), ৬-০, ৬-৭ (৫-৭) গেমে হারেন সিটসিপাস। পুরুষ এককে সবচেয়ে কনিষ্ঠতম খেলোয়াড় হিসেবে শীর্ষ পাঁচের একজন হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আলকারাজ। স্বপ্নকে সত্যি করে স্প্যানিশ এই টেনিস খেলোয়াড় বলেন, ‘অসাধারণ লাগছে। এই জয় আমার কাছে অনেক কিছু। এটা আমার ক্যারিয়ারের সেরা ম্যাচ, সেরা জয়। সিটসিপাসকে হারানোটা আমার কাছে স্বপ্ন পূরণের মতোই।’
