ইভিএম পদ্ধতি নিয়ে জটিলতা, ভোটার উপস্থিতি কম ও প্রতিদ্বন্দ্বী এক প্রার্থীর এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগের মধ্য দিয়ে সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। রাত ৮টায় রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসা ১০৮টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী বেসরকারিভাবে ৬৬ হাজার ৩১২ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব (নৌকা)। তার প্রাপ্ত ভোট ৯০ হাজার ৬৪টি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাপার আতিকুর রহমান আতিক (লাঙ্গল) পেয়েছেন ২৪ হাজার ৭৫২ ভোট।
এই আসনের উপনির্বাচনে অপর দুই প্রার্থী ছিলেন বিএনপির বহিষ্কৃত প্রার্থী শফি আহমদ চৌধুরী (মোটরগাড়ি) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী যুক্তরাজ্য প্রবাসী জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া (ডাব)। রিটার্নিং অফিসার কাজী এমদাদুল ইসলাম জানান, নির্বাচনে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রথম বারের মতো এ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হয়। তবে ভোটগ্রহণের শুরুতে কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল কম। বেশির ভাগ কেন্দ্রই ছিল প্রায় ফাঁকা। ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দিতে অভ্যস্ত না থাকায় মানুষকে সমস্যায় পড়তে হয় বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শফি আহমেদ চৌধুরী। মারধর করে তার এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতিকুর রহমান আতিক। তবে তিনি বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। গত ১২ মার্চ করোনায় সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী মারা গেলে আসনটি শূন্য হয়।
