বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দেশে এখন ছদ্মবেশী বাকশাল চলছে। সাংবাদিকরাও আজ সেন্সর করে নিউজ করছেন। মানুষের দৃষ্টি ফেরাতে নানা ঘটনার অবতারণা হচ্ছে। দৃষ্টি খালি এক ইসু থেকে অন্য ইস্যুতে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যায়, অবিচার ও দুর্নীতির দৃষ্টি অন্যদিকে নিতে পরীমনি ইস্যু দিয়ে মিডিয়াকে ব্যস্ত রাখা হচ্ছে। পরীমনিকে কেন বারবার রিমান্ডে নেওয়া হয়, তার বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতের বিরুদ্ধে রুল জারি করে উচ্চ আদালত। যখন আমাদের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিনা দোষে, বিনা ওয়ারেন্টে আটক করে লাগাতার রিমান্ডে নেওয়া হয়, তখন তার বিরুদ্ধে রুল জারি হয় না। অর্থাত্ কেউ স্বাধীন নয়, কারো কোনো স্বাধীনতা নেই। সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমেদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে এক স্মরণসভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। সাবেক মন্ত্রী ও জাপার একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাতীয় পার্টির একাংশের মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, এনপিপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপা সভাপতি খন্দকার লুত্ফর রহমান প্রমুখ।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সবার মধ্যে আজ হতাশা বিরাজ করছে; কেন? আওয়ামী লীগ ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসেছে। এরশাদকেও ৯ বছর শাসন করার পর বিদায় নিতে হয়েছে। এই বর্তমান বাকশালী শাসকগোষ্ঠীকেও বিদায় নিতে হবে। তবে একটু অপেক্ষা করতে হবে। কেউ এসে আমাদের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেবে না। গণতন্ত্র, মানুষ ও দেশ বাঁচাতে দেশের তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
