পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা হত্যা মামলার বিচারকার্যের দ্বিতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। গতকাল রবিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে মামলার তৃতীয় সাক্ষী মোহাম্মদ আলীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে দ্বিতীয় দফার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম।
পিপি ফরিদ বলেন, রবিবার পৌনে ১০টার দিকে মামলার অন্যতম আসামি বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকতসহ ১৫ আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। এরই মধ্যে হাজির করা হয়, প্রথম দফায় সাক্ষীর জন্য সমন পাওয়া ১৫ জনের বাকি ১৩ জনকে। গতকাল ছয় জন সাক্ষীর হাজিরা দেওয়া হয়। তারা হলেন :মোহাম্মদ আলী, ফিরোজ মাহমুদ, মুহিবুল্লাহ, শওকত আলী, কামাল হোসেন ও মো. আমিন। এদের মধ্যে টেকনাফের মিনাবাজার এলাকার মোহাম্মদ আলীর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় দফার কার্যক্রম শুরু হয় সোয়া ১০টায়। পরে ১৫ আসামির আইনজীবীরা তাকে পৃথকভাবে জেরা করেন। এ কারণে সারা দিনের সাত কর্মঘণ্টায় কেবল একজনের সাক্ষ্যই নেওয়া সম্ভব হয়েছে। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা মামলার বিচারকার্য দীর্ঘসূত্রিতা করতেই জেরায় অহেতুক সময়ক্ষেপণ করছেন বলে মন্তব্য পিপির।
আদালতের বরাত দিয়ে অ্যাডভোকেট বাপ্পী শর্মা বলেন, গত ২৩ আগস্ট শুরু হয়েছে মেজর সিনহা হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম। সাাক্ষ্যগ্রহণে আদালতের নির্ধারণ করা প্রথম তিন দিনের প্রথম দিন পুরো ও দ্বিতীয় দিনের অর্ধেক সময় মামলার বাদী নিহত সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌসের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। পরে শুরু হয় সিনহার সফরসঙ্গী ও হত্যার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী সিফাতের সাক্ষ্য। এ দুই জনের সাাক্ষ্য ও জেরার মধ্য দিয়ে শেষ হয় বিচার কার্যের প্রথম নির্ধারিত তিন দিন।
