বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা
বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সন্ধ্যা ৬টায় পর স্থলবন্দর দিয়ে আমদানিকৃত পচনশীল পণ্যের শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সন্ধ্যার পর পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে কিছু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তাই বাধ্য হয়েই এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ফল জাতীয় খাদ্য দ্রব্য আমদানি সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। তবে বর্তমানে বিপুল পরিমাণে বেড়েছে কাঁচামাল জাতীয় পণ্যের আমদানি। প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের ফল ও খাদ্য দ্রব্য জাতীয় পচনশীল পণ্য আমদানি হয়ে থাকে। প্রতিদিন এসব আমদানি পণ্য থেকে সরকারের ২ থেকে ৩ কোটি টাকা রাজস্ব আসে।
বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রানশিপমেন্ট ইয়ার্ডের ট্রাফিক পরিদর্শক পলাশ জানান, বেনাপোল বন্দরে গত তিন দিনে ভারত থেকে ৪৫ ট্রাক খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পচনশীল পণ্য আমদানি হয়েছে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে, মাছ, টম্যাটো, কাঁচামরিচ, আঙুর, ক্যাপসিক্যামসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য। তবে কাস্টমসে বিধি নিষেদের কারণে সন্ধ্যার পর ব্যবসায়ীরা অনেক পণ্য খালাস নিতে পারেননি। তবে এ সিদ্ধান্তে রাজস্ব ফাঁকি রোধ হয়েছে।
বেনাপোল কাস্টমস হাউজের অতিরিক্ত কমিশনার ড. নেয়ামুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যার পর কাঁচামাল জাতীয় পণ্য ছাড়করণের ক্ষেত্রে কিছু ব্যবসায়ী অনিয়ম করে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করে থাকে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কাছে প ায় ৩ কোটি টাকা রাজস্ব বকেয়া রয়েছে। তারা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে না। ফলে নিরাপত্তার স্বার্থে সন্ধ্যা ৬টার পর আপাতত শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার থেকে এ পথে সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে কাঁচামালের শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
