ইত্তেফাক রিপোর্ট
গতকাল সকালে বনানী কবরস্থানে বিভিন্ন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিমের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী ও ‘ডায়াবেটিস সেবা দিবস’ পালিত হয়েছে। ১৯৮৯ সালের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। সমিতি এ দিনটিকে ‘ডায়াবেটিস সেবা দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে। কোভিড-১৯ সংক্রমণজনিত মহামারি বিবেচনা করে এবারের কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।
গতকাল ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে ‘ইব্রাহিম মেমোরিয়াল ওরেশন’ (ইব্রাহিম স্মারক বক্তৃতা) অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ কে আজাদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ‘ভার্চুয়ালি’ বক্তৃতা করেন ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন মেডিক্যাল স্কুলের সাম্মানিক অধ্যাপক ও ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর মেডিক্যাল এডুকেশনের সভাপতির বিশেষ উপদেষ্টা অধ্যাপক জেনেট গ্রান্ট। তিনি জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে একজন সমাজ সংস্কারক ও মানবতাবাদী চিহ্নিত করে বলেন, ডা. ইব্রাহিম চিকিত্সাব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রেও অবদান রেখেছেন। অধ্যাপক গ্রান্ট বাংলাদেশে ডায়াবেটিস স্বাস্থ্যসেবায় সিসিডি কোর্সের অবদান ছাড়াও এই কোর্সের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, ইব্রাহিম মেমোরিয়াল ওরেশনের জন্য প্রতি বছর দেশ-বিদেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ চিকিত্সক-গবেষককে স্মারক বক্তৃতা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং তাকে স্বর্ণপদকে ভূষিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রায় ১৩০ জন চিকিত্সক-গবেষক-কর্মকর্তা অংশ নেন। এদের মধ্যে ছিলেন- বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক রশিদ-ই মাহবুব, সমিতির ন্যাশনাল কাউন্সিল সদস্য রফিকুল ইসলাম খান, বারডেমের মহাপরিচালক অধ্যাপক কে আই কাইয়ুম চৌধুরী, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের সিইও অধ্যাপক এমএ রশীদ, বিআইএসএস-এর মহাপরিচালক অধ্যাপক এম ফজলুর রহমান, বিইউএচএস-এর উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল আলম প্রমুখ।
