সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা বিটিআরসির নেই

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:১৮

সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট অপসারণ বা লক করার ক্ষমতা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নেই বলে মন্তব্য করেছেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, কনটেন্ট ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে গতকাল সোমবার বিটিআরসি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. আফজাল হোসেন অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। এছাড়া বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র, সংস্থার মহাপরিচালক (সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ, কমিশনার শহীদুল ইসলাম বক্তব্য দেন।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, কেবলমাত্র টেলিফোন বা আইএসপি দিয়ে অপরাধ হয় না। ডার্ক ওয়েভে অপরাধের প্রবণতা বাড়ছে। এখন সবচেয়ে বেশি অপরাধের মাধ্যম ইন্টারনেট। এক্ষেত্রে অসহায়ত্ব প্রকাশ করা ছাড়া বিকল্প কিছু থাকে না। ভিপিএন অপরাধের বড় হাতিয়ার। দিনে দিনে অপরাধ করার হাতিয়ার বাড়ছে। মোস্তাফা জব্বার বলেন, বিটিআরসি কেবল টেলিকম অপারেটর ও আইএসপিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ওয়েবসাইটগুলো বাংলাদেশের সীমানায় বন্ধ করতে পারে। ২২ হাজারের বেশি পর্নো-জুয়ার সাইট বন্ধ করেছি।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সীমাবদ্ধতা কোথায়? সাইবার ওয়ার্ল্ড উন্মুক্ত বিষয়। সোশ্যাল মিডিয়ার নিয়ন্ত্রণ বিটিআরসির হাতে নেই। আমরা বেশ কয়েক বার ফেসবুকের সঙ্গে মিটিং করেছি। আমরা চেষ্টা করছি, বাংলাদেশে একটা অফিস স্থাপন এবং তারা আমাদের কথামতো কাজ করুক। আমরা অফিস স্থাপনের কাজ করতে পারিনি।’ তিনি বলেন, অনেক নারী, টিনেজাররা বিভিন্নভাবে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছে। আমরা তাদের পরামর্শ দেই, থানায় জিডি করে কপিটা আমাদের কাছে দেন। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাজেন্সির কাছে অভিযোগ করলেও আমরা পাই। আবার সরাসরি আমরা কাজ করি। হটলাইন, ইমেইলে, বিটিআরসির চেয়ারম্যানের ফেসবুকে দিতে পারেন।