গলাচিপায় ফেরির গ্যাংওয়ে তলিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:১৪

গলাচিপা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

গলাচিপায় অমাবস্যার প্রভাবে জোয়ারের পানিতে ফেরির গ্যাংওয়ে গত দুই দিন ধরে তিন ফুট পানির নিচে তলিয়ে আছে। ফলে বন্ধ রয়েছে সব ধরনের যানবাহন চলাচল। এতে অসুস্থ রোগী, যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এছাড়া উপজেলার পৌর এলাকা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধের বাইরে ও চরাঞ্চলের ২৫ থেকে ৩০টি গ্রাম দুই-তিন ফুট পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নদীর দুই পাড়ে গলাচিপা ও হরিদেবপুর ফেরিঘাটে ২৫-৩০টি অ্যাম্বুলেন্স, বাস, মাইক্রোবাস ও পণ্যবাহী যানবাহন আটকে আছে। যখন নদীতে ভাটা হয় তখন এক-দুই ঘণ্টা সময়ের মধ্যে তাড়াহুড়ো করে বিভিন্ন যানবাহন ফেরি পারাপার হয়। এদিকে পৌর শহরের আড়তপট্টির বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ১৩০ ব্যারাক, ৪০ ব্যারাক, ১০০ ব্যারাক আবাসন প্রকল্পের পেয়ারাবাগান এবং কলাবাগান জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে। গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার মো. ইসহাক গাজী বলেন, গত দুই দিন ধরে গলাচিপা নদীর ফেরির গ্যাংওয়ে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় রোগীদের নিয়ে পড়তে হচ্ছে চরম বিপাকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় ভাটার জন্য। ভাটা আসলে তাড়াহুড়ো করে নদী পার হয়ে রোগী নিয়ে যেতে হয় গন্তব্যে। আবার ফিরে আসার পথে একই সমস্যায় পড়তে হয়। গলাচিপা শহরের নতুন বাজারের ব্যবসায়ী বাদশা মিয়া বলেন, ফেরি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সময়মতো মালামাল দোকানে ওঠাতে না পারায় ব্যবসার অনেক ক্ষতি হয়েছে।

সড়ক ও জনপথের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মীর মো. কামরুল হাসান বলেন, যেভাবে গ্যাংওয়ে রাখা আছে, তার চেয়ে বেশি উঁচুতে রাখা সম্ভব নয়। কারণ যানবাহন পন্টুনে উঠতে পারবে না। মাঝে মাঝে জোয়ারের পানিতে গ্যাংওয়ে ডুবে যায়। তাছাড়া এখানে ব্রিজ নির্মাণ হলে সমস্যার সমাধান হবে।