বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৫১

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ শিক্ষার্থীদের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এ লক্ষ্যে সরকারকে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে। ঐ কমিটি সুপারিশ করবে শিক্ষা কার্যক্রমের কোন স্তরের পাঠ্যসূচিতে ভাষণটি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের দ্বৈত বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ রায় দেয়।

অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণটি পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করতে বলেছে হাইকোর্ট। তবে সেটি এসএসসি, এইচএসসি না উচ্চ শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত হবে, সেজন্য একটি কমিটি করতে বলেছে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী তা নির্ধারণ করতে হবে।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক বশির আহমেদ হাইকোর্টে রিট করেন। ঐ রিটে ৭ মার্চকে জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণার আবেদন জানানো হয়। পরে হাইকোর্ট রুল জারি করে এবং ১৯৭১ সালের ৭ মার্চকে জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণা করে। সেই ঐতিহাসিক ভাষণের সময় বঙ্গবন্ধুর ‘স্পিচ মোডের’ (তর্জনি উঁচিয়ে ভাষণের সময়কার ভঙ্গি) ভাস্কর্য নির্মাণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছিল। এছাড়া মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তকে ৭ মার্চের ভাষণের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার এবং আবেদনের পক্ষে আইনজীবী বশির আহমেদ শুনানি করেন। শুনানি শেষে বঙ্গবন্ধুর স্পিচ মোডের (তর্জনি উঁচিয়ে ভাষণের সময়কার ভঙ্গি) ভাস্কর্যের নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে বলে জানান বশির আহমেদ।