রাবি অধ্যাপকের নেতৃত্বে অধ্যক্ষকে মারধরের অভিযোগ

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৫২

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে সহযোগীদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত, নগরীর মাসকাটাদীঘি এলাকার ‘ইনস্টিটিউট অব বায়োসায়েন্স’ এ হামলা ও অধ্যক্ষকে মারধোরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার দুপুর আড়াটাই দিকের এ ঘটনায় রাতে নগরীর মতিহার থানায় ভুক্তভোগী অধ্যক্ষ লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে বুধবার বিকেলে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এজাহারটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়নি বলে জানা গেছে।

জানতে চাইলে নগরীর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার আলী তুহিন বলেন, ‘ইনস্টিটিউট অব বায়োসায়েন্স’ এ হামলা, ছিনতাই ও মারধোরের ঘটনা তার জানা নেই। তবে ঐ প্রতিষ্ঠানের পার্টনারদের মধ্যে ঝামেলা চলছে বলে জেনেছি। এনিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগও পাওয়া গেছে। সরেজমিনে তদন্ত এবং বিবদমান পক্ষের ব্যক্তিবর্গকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   

অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এফ এম আলী হায়দার ও নাটোরের সিংড়ার মুকুলের নেতৃত্বে আরো চার/পাঁচ জন বহিরাগত দুপুর আড়াইটার দিকে ইনস্টিটিউটের সেমিনার কক্ষে চলমান পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনধিকার প্রবেশ করে রেজুলেশন বইসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ছিনিয়ে নেন। এতে বাধা দিলে তারা ইনস্টিটিউটের পরিচালকদের সমনেই অধ্যক্ষ মো. হাফিজুর রহমানকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে জখম করেন। এ সময় তারা অধ্যক্ষকে অশ্লীলভাষায় গালাগাল করাসহ প্রাণনাশের হুমকি দেন। আত্মরক্ষার্থে অধ্যক্ষ সেমিনার কক্ষের বাইরে গেলে আসামি মুকুলসহ অজ্ঞাতনামা চার/পাঁচ আসামী আবারও অধ্যক্ষের ওপর চড়াও হয়। তারা অধ্যক্ষের জামার পকেট এবং অফিস থেকে ইনস্টিটিউটের নগদ সাড়ে ৩ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেন। এ সময় তারা বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্যও শাসিয়ে যান।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত রাবির উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এফ এম আলী হায়দার ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করে বলেন, পার্টনারশিপ নিয়ে ঝামেলা থেকে অধ্যক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা সাপেক্ষে ঝামেলার বিষয়টি মিটমাট করে নেব।