ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, আগামী ২০২২ সালে করোনা পরিস্থিতি উন্নত হলে এবং দেশ থেকে হজে যাওয়ার অনুমতি পাওয়া গেলে ইতোপূর্বে যারা প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন করেছেন তারা ক্রমানুসারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হজে যেতে পারবেন। তিনি বলেন, করোনা মহামারির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে সৌদি আরবের অভ্যন্তরে সীমিত পরিসরে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে বহির্বিশ্ব থেকে কোনো হজযাত্রী সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ পাননি।
গতকাল বুধবার বিকালে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে ইচ্ছুক নিবন্ধিত ব্যক্তিদের বিষয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধনকারী ব্যক্তি জমা করা অর্থ উত্তোলন করতে চাইলে নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করে সে অর্থ উত্তোলন করেত পারবেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু ছিল। এরপর আর কোনো নিবন্ধন করা হয়নি। তবে হজের প্রাক-নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। এ পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তির সংখ্যা ৫ হাজার ২২৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তির সংখ্যা ১ লাখ ৭৪ হাজার ১৫৪ জন। নিবন্ধিত হজযাত্রীদের পাসপোর্টের মেয়াদ অতিক্রান্ত হয়ে থাকলে ২০২২ সালে হজে গমনের ক্ষেত্রে তা নবায়নের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল ইসলাম ছাড়াও সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, পাসপোর্ট অধিদপ্তর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ব্যাংকসমূহ, হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) প্রতিনিধিসহ হজ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
