আগামী ১২ সেপ্টেম্বর রবিবার থেকে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগুলি খুলে দেওয়া হচ্ছে। এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার এই সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক? এই ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রদত্ত পাঠকদের অভিমত আজ প্রকাশিত হলো
প্রায় ১৮ মাসের বেশি সময় পর আগামী ১২ সেপ্টেম্ব্বর স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হচ্ছে—এটা নিঃসন্দেহে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিক্ষাকার্যক্রমের বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে অনেকটা সাহায্য করবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে অনলাইন শ্রেণিকার্যক্রমে শহর এবং প্রান্তিক গ্রামের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে বৈষম্য ছিল, সেটা আর থাকবে না। ইউটিউব ভিডিও দেখে, নোট সংগ্রহ করে, অ্যাসাইনমেন্ট কপি করে জমা দেওয়ার মধ্যে তেমন কোনো সুফল নেই। বাংলাদেশে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় মিলে ৫ কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। তাই সরকারের উচিত ধাপে ধাপে শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা।
মো. সাইমুন, শিক্ষার্থী, সরকারি কমার্স কলেজ, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম।
১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ খুলছে। সংবাদটি অত্যন্ত সুখের বটে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি পালন বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খোলার পর কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যদি কোনো রকম জটিলতা সৃষ্টি হয়, তবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আর যেসব শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারী টিকা নেননি, তাদের অবশ্যই টিকার আওতায় আনতে হবে।
আনিসুর রহমান/বিউটি, ফুলতলা, খুলনা
আবারও বাজবে ক্লাসের ঘণ্টা। এবার ছুটির ঘণ্টা নয়। এবার হচ্ছে ক্লাস শুরু হওয়ার ঘণ্টা। মহামারির কারণে প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এবার খুলছে। শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কালে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ সবাইকে মাস্ক পরিধান , তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে বসার ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে অবশ্যই ক্লাস করাতে হবে। আর এক/দুই দিন ক্লাস নয়। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা পুষিয়ে নিতে ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। ছাত্র/শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের টিকা দানের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
হোসনে আরা বাসার নীলা
নারীর কথা, এনায়েতগঞ্জ লেন, ঢাকা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি। দিনের পর দিন শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষা থেকে, ফলে তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। তাই, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়াকে আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি।
মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন, আমুয়া, বরিশাল
দেশে বড় পরিসরে করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হলেও এখনো শিশুদের যুক্ত করা হয়নি। ফলে অল্পবয়সি শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিমুক্ত রাখতে কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে, অন্যদিকে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে পালন করতে হবে।
বজলুল করিম, ধানমন্ডি, ঢাকা
দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ খুলছে। করোনার পাশাপাশি ডেঙ্গুও বর্তমানে একটি বহুল আলোচিত বিষয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনার মতো ডেঙ্গুও তার রূপ বদলাচ্ছে। তাই এই বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।
আনতারা আনিকা লাবণ্য
ইডেন মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়, আজিমপুর, ঢাকা
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে দেখা হবে নতুন ভাবে। নিদের্শনা হলো দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক পরা, ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। বারবার হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখা। এখনো করোনার ধকল কাটেনি। শিক্ষার সঙ্গে জড়িত সবাই সুস্থ-সুন্দর থাকুক এবং আগের পরিবশে ফিরে আসুক—এ প্রত্যাশা করি।
প্রহরী মনিরুজ্জামান, টঙ্গী
খুবই খুশির কথা, আনন্দের কথা। করোনা মহামারির কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক অধিদপ্তর থেকে এই ব্যাপারে ১৯ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সুতরাং বিষয়টি আমলে নিতে হবে।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরাপপুর, ঝিনাইদহ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার পাশাপাশি শিশুশ্রম ও বাল্যবিবাহর মতো অপ্রত্যাশিত অভিশাপের হারও কমবে। তবে চলমান মহামারিকালে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সাপেক্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত করানোটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া দীর্ঘ দেড় বছরের শিখন ঘাটতি পূরণ করতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টার গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
মোহাম্মদ ফয়সাল
১৪৬ ডি.টি. রোড পূর্ব মাদারবাড়ী, চট্টগ্রাম।
শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করে পড়ালেখায় মনোনিবেশ বাড়াতে পাঠদানের পরিবেশের উন্নয়ন আবশ্যক।
মাওসুমা নওশীন, সদর, বরিশাল।
ড্রপ আউট হওয়া শিক্ষার্থীদের সবাইকে না পারলেও যাদের সম্ভব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে আনতে পদক্ষেপ নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি ও আনুষঙ্গিক ব্যয় কিছূদিনের জন্য কমানো প্রয়োজন যাতে কোনো শিক্ষার্থীর লেখাপড়া ব্যাহত না হয়।
মো. ফিরোজ আহম্মেদ
মিরপুর, সেকশন-৬, ঢাকা।
অনেক মাস হলো স্কুল-কলেজগুলো বন্ধ থাকায় ছাত্রছাত্রীরা অনেকটা ঘরবন্দি অবস্থায় রয়েছে। মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তারা। পড়ালেখা করার যে গতি, সে গতি হারিয়েছে তারা। তাদের শিক্ষাজীবনকে গতিময় করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত আনন্দদায়ক।
এস এম হূদয় রহমান
গৌরীপুর, দাউদকান্দি, কুমিল্লা।
অনেক অভিভাবক এখনো বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। আমার মন্তব্য হলো, সবকিছুই যখন স্বাভাবিক চলছে, তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও চলতে পারে। তাই আল্লাহর ওপর ভরসা করে ভয়কে জয় করে করতে হবে।
উবাইদুল্লাহ তারানগরী
দুধনই, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ।
সর্বাগ্রে সব প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা না গেলে কেবল সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করাটা সংক্রমণের ঝুঁকি মোকাবিলায় যথেষ্ট হবে না। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের কোমল মনোজগতের চরম বিশৃঙ্খলা দূর করে নিয়মিত শিখনের পাশাপাশি দেড় বছরের শিখন ঘাটতি পূরণের মতো অত্যন্ত কঠিন কাজ সম্পাদন করতে শিক্ষকদের অধিকতর সৃজনশীল হওয়ার বিকল্প নেই।
আবু ফারুক
বনরুপাপাড়া, সদর, বান্দরবান।
পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া উচিত। প্রায় দেড় বছর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সেগুলো ‘প্রায় পরিত্যক্ত’ অবস্থায় আছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতারও দরকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাদ, দেওয়াল ও আসবাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে সেগুলো মেরামতের কাজটিও করতে হবে বলে মনে করি।
সাদিয়া আফরিন মিতু, শ্রীপুর, গাজীপুর।
আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসে ফিরে আসবে এটা একদিকে যেমন খুশির খবর, অন্যদিকে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও থেকে যায়। পূর্ণবয়স্ক একজন যতটা সচেতন, শিশু ও কিশোর বয়সের ছেলেমেয়েরা ততটা সচেতন নয়। এক্ষেত্রে ছেলেমেয়েদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ, শ্রেণিকক্ষের শিক্ষা উপকরণ, বেঞ্চসহ অফিসরুম, বিদ্যালয়ের আঙিনা ময়লা-আবর্জনা ও ছোট ছোট গাছপালায় ভরে গেছে। এগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হবে। বিদ্যালয়ের সব জায়গায় জীবাণুনাশক ওষুধ ছিটানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিদ্যালয়ের ভেতরে হাত ধোয়া ও হ্যান্ড সেনিটাইজের ব্যবস্থা করাও জরুরি। প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর শরীরের তাপমাত্রা মাপার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার আক্রমণ থেকেও ছাত্রছাত্রীদের সচেতন রাখতে হবে।
কামরুজ্জামান, শ্রীপুর, গাজীপুর।
জাতীয় আনন্দের দিন, উত্সবের দিন হতে চলেছে ১২ সেপ্টেম্বর। সরকারিভাবে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে। যা অবশ্যই সাধুবাদ পাবার যোগ্য। আমি মনে করি, সামাজিক, রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনগুলো এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ছাত্রছাত্রীদের নিজ নিজ সংগঠনের পক্ষ থেকে নিজ এলাকায় বই, খাতা, কলম ইত্যাদি উপহার দেওয়ার মাধ্যমে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে পারে।
মো. ফখরুল ইসলাম টিপু
সেনবাগ, নোয়াখালী
করোনা মহামারিতে স্কুল বেশি দিন বন্ধ রাখায় বিশ্বে বাংলাদশ ১ নম্বরে এসেছে। সম্প্রতি ইউনেসকো এমন তথ্য প্রকাশ করেছে। যাই হোক দীর্ঘদিন পর স্কুল খোলায় দেশের লাখ লাখ বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকগণ এবং শিক্ষার্থীরা খুশি হয়েছেন।
সাইফুল ইসলাম তানভীর, গুলশান, ঢাকা
প্রায় ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর সরকার যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে, তখন টিকা পাওয়ার চিত্র সত্যিই হতাশাজনক! টিকার সঙ্গে শিক্ষার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই ঠিকই। কিন্তু করোনার হাত থেকে রক্ষার জন্য টিকাকেই একমাত্র প্রতিষেধক হিসেবে ভাবা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১৬ বছরের ঊর্ধ্বে সব শিক্ষার্থীকে টিকা দিয়েই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হবে। শিক্ষার্থীর সঙ্গে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও টিকা পাওয়া নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
পার্বতীপুর, দিনাজপুর।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে বিভিন্ন গেমে আসক্ত হচ্ছে, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার মারাত্মকভাবে বাড়ছে, গ্রামাঞ্চলে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিয়ে, অনেক শিক্ষার্থী অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে, হুহু করে বাড়ছে বেকারত্ব। এছাড়া শিক্ষার্থীদের কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন শিল্প হুমকির মুখে, অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে এবং যারা টিকে আছে তারা ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে দাঁড়াতে পারছে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও অনিবন্ধিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারী, গৃহশিক্ষক, প্রকাশক, পরিবেশক, কাগজ ব্যবসায়ী, প্রেস মালিক ও কর্মচারী, বই বাঁধাইকারী, বই বিক্রেতা ইত্যাদি পেশার মানুষ খুব কঠিন সময় অতিবাহিত করছে। এদের অনেকের কোনো কাজ নেই, থাকলেও খুব নামমাত্র এবং কোনো আয় রোজগার নেই বললেই চলে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে এসব জায়গায় আবার প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে আসবে।
মো. জিল্লুর রহমান
সতিশ সরকার রোড, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা
বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের শুধু পুঁথিগত শিক্ষাই দেয় না? বরং শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশ ও সামাজিকীকরণের প্রক্রিয়াটিও সাধিত হয় বিদ্যালয়ের মাধ্যমে। দীর্ঘ দিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় ছেলেমেয়েরা মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। তাই এই সময়ে স্কুলকলেজ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তটি যথোপযুক্ত ও সময়োপযোগী।
জয়নব চামেলী , গংগানগর, রুপগঞ্জ
ইউনিসেফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই দীর্ঘ সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় প্রাথমিক থেকে উচ্চ শিক্ষার স্তর পর্যন্ত বাংলাদেশে ৪ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই আমরা আশা করছি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে প্রাণের সঞ্চার ঘটবে। যেহেতু শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যত্। আমরা আর চাই না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকুক।
শিশির, পিলখানা, ঢাকা।
বিভিন্ন জেলায় অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যা ও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। এই বিষয়টির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
রণী, মানিকনগর, ঢাকা।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর কোনো এলাকায় করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে গেলে বন্ধের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তও এলাকাভিত্তিক হওয়া একান্ত দরকার। নতুন করে শুরু হওয়া ক্লাসে শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সমস্যাগ্রস্ত পরিবারের শিশুদের মাঝে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ, মাস্কসহ অন্যান্য উপকরণ বিতরণ করা উচিত।
পারভীন সুলতানা বিউটি
রামচন্দ্রপুর, ঝিনাইদহ।
যেহেতু আমাদের বাংলাদেশসহ বর্তমান বিশ্বে প্রায় ৫০টি দেশের শিক্ষার্থীরা এ অবস্থায় পড়ে আছে। করোনার প্রতিষেধক টিকা এখনো পায়নি অনেকে। তাই এ মুহূর্তে স্কুল-কলেজ খোলাটা আরো কিছুদিন দেরি করা প্রয়োজন বলে মনে করি। তা না হলে করোনার সংক্রমণের সংখ্যাও যেমন বাড়বে তেমনি মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।
আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌ:(হিফজু)
বি.বাড়িয়া সদর, ব্রা?হ্মণবাড়িয়া।
