পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আফগানিস্তানের পরিবর্তিত পরিস্থিতি এখনো পর্যবেক্ষণ করছি। তাদের অবস্থা, মনোভাব দেখে এ ব্যাপারে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ। তবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। কোনোভাবেই আমরা সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করব না। গতকাল বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কোনো দেশকে অনুসরণ করে নয়, আফগানিস্তান ইস্যুতে আমরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেব। আফগানিস্তান সার্কের সদস্য এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। সেই হিসেবে আফগানিস্তানের উন্নতি হোক এটাই চায় বাংলাদেশ। বৃহত্তর জনগণের সরকার হলে আমাদের উচিত হবে তাদের উত্সাহিত করা এবং তাদের স্বাগত জানানো। আমরা চাই, আফগানিস্তানের উন্নতি হোক।
ইউরোপের তিন দেশে ১০ দিন সফর শেষে গতকাল সকালে ঢাকায় ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। তার সদ্য জেনেভা, লন্ডন ও হেগ সফর প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, আফগানিস্তান ইস্যু নিয়ে অনেকে জিজ্ঞাসা করেছেন। আমরা বলেছি যে, আফগানিস্তান ইস্যুতে আমরা এখনো বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রেখেছি। সেখানে আমাদের যারা ছিলেন, তারা মোটামুটি বের হয়ে এসেছেন।
যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপি নেতা তারেক রহমান ও যুদ্ধাপরাধীদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কোনো অগ্রগতি আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা একটি আইনগত দিক। এটা নিয়ে আমার কাছে কোনো অগ্রগতি নেই। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে প্রবেশে লাল তালিকা থেকে বাংলাদেশিদের বাদ দেওয়ার জন্য আমরা তাদের অনুরোধ করেছি। যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশ তাদের বার্ষিক মানবাধিকার রিপোর্টে বাংলাদেশ নিয়ে তথ্য দেয়, সেটা অপরিপক্ব। এই ধরনের রিপোর্ট দুঃখজনক। আমাদের আহ্বান, তারা যেন সঠিক তথ্য প্রকাশ করে।
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, টিকা নিয়ে যতটা আশা করেছিলাম ততটা হয়নি। ধনী দেশগুলো করোনার অনেক টিকা মজুত করে রেখেছে। এসব টিকার মেয়াদ শেষ হয়ে এলেও তা অন্যদের দিচ্ছে না। তিনি বলেন, কখনো কখনো তারা টিকা দিচ্ছে। কিছু একটার বিনিময়ে তারা তা দেয়। এজন্য তারা পরোক্ষভাবে চাপ দেয়।
