সিরিজ জুড়েই ছিল মন্থর, নিচু বাউন্সের উইকেট। গতকাল শেষ ম্যাচে ভালো ব্যাটিং উইকেট পেলেও জ্বলে উঠতে ব্যর্থ বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। সিরিজের শেষটা তাই সুখকর হলো না টাইগারদের। হারের স্মৃতি নিয়েই আগামী মাসে টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে যাবে বাংলাদেশ দল। তবে এ ফরম্যাটে টানা তিন সিরিজ জয় বিশ্বকাপ মিশনে কিছুটা হলেও প্রেরণা জোগাবে মাহমুদউল্লাহদের।
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে গতকাল সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-২০ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে ২৭ রানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। হারে শেষ করলেও সিরিজটা ৩-২ এ জিতেছে টাইগাররা।
টস জিতে আগে ব্যাট করে অধিনায়ক টম ল্যাথামের হাফ সেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটে ১৬১ রান তুলেছিল নিউজিল্যান্ড। পরে ৮ উইকেটে ১৩৪ রানের বেশি যেতে পারেনি বাংলাদেশ। ল্যাথাম ম্যাচ সেরা হন। তবে সিরিজ সেরার পুরস্কারটা নাসুম আহমেদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন কিউইদের অধিনায়ক।
রান তাড়া করতে নেমে ৪৬ রানে ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। লিটন (১০), সৌম্য (৪), নাঈম (২৩), মুশফিক (৩) দলের ভরসা হতে পারেননি। সম্ভাবনা জাগিয়েছিল মাহমুদউল্লাহ-আফিফের ৬৩ রানের জুটি। কিন্তু এ জুটি ভাঙতেই আবারও আসা-যাওয়ার মিছিল শুরু। ১৬তম ওভারে মাহমুদউল্লাহ ২৩ রান করে ফিরেন। সোহান, শামীমরা রানের তাড়ায় দ্রুত ফেরায় একপ্রান্ত আগলে আফিফের দুর্নিবার চেষ্টা বিফলে গেছে। ৩৩ বলে ৪৯ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন আফিফ। নিউজিল্যান্ডের কুগেলেইন, অ্যাজাজ প্যাটেল ২টি করে উইকেট পান।
এর আগে নিউজিল্যান্ডকে উড়ন্ত শুরু এনে দেন ফিন অ্যালেন। শরীফুলের প্রথম ওভারে তোলেন ১৯ রান। তবে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে শরীফুলই ব্রেক থ্রু এনে দেন বাংলাদেশকে। চতুর্থ বলে রবীন্দ্রকে আউট করেন, শেষ বলে ফিন অ্যালেনকে বোল্ডকে ফেরান এ তরুণ। তারপর ইনিংসের শেষ পর্যন্ত দলকে টেনে গেছেন ল্যাথাম। হেনরি নিকোলসের সঙ্গে ৩৫, ম্যাককনকির সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ৪৩ রানের জুটি গড়েন তিনি। ৩৭ বলে অপরাজিত ৫০ রান করেন ল্যাথাম। ফিন অ্যালেন ২৪ বলে ৪১, রবীন্দ্র ১৭, নিকোলস ২০, ম্যাককনকি অপরাজিত ১৭ রান করেন। বাংলাদেশের শরীফুল ২টি, নাসুম, আফিফ, তাসকিন ১টি করে উইকেট পান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড :২০ ওভারে ১৬১/৫
বাংলাদেশ :২০ ওভারে ১৩৪/৮
ফল :নিউজিল্যান্ড ২৭ রানে জয়ী
ম্যাচ-সেরা :টম ল্যাথাম (নিউজিল্যান্ড)
