আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় অপপ্রচারের জবাব দিতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, একটি অশুভ চক্র সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানাভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমনকি আমি গুরুতর অসুস্থ, সিঙ্গাপুর থেকে চিকিত্সক এসেছেন, ভবিষ্যত্ প্রধানমন্ত্রী নির্ধারণসহ শিগিগরই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হচ্ছে—এমন সব বলেও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অথচ আমি সুস্থ আছি। মানুষ যখন আমাকে সুস্থ দেখবে, তখন গুজব রটনাকারীদের কী হবে? অপপ্রচার চালানোর জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো তো আর বন্ধ করা যাবে না। তাই এসব অপপ্রচারের জবাব সঙ্গে সঙ্গেই দিতে হবে। একই সঙ্গে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকার নির্দেশনা দেন তিনি। গতকাল শনিবার সকালে গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় অনির্ধারিত আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠক সূত্র ইত্তেফাককে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, নির্বাচন সামনে এলেই ষড়যন্ত্র দানা বাঁধে। অনলাইনে গুজব ও অপপ্রচার বাড়ে। আগামী দিনে এগুলো রোধে কাজ করতে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব-অপপ্রচার ঠেকাতে ১ লাখ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট মাঠে নামাচ্ছে আওয়ামী লীগ। ১ লাখ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের সমন্বয়ে একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজ আগে থেকেই শুরু হয়েছে।
এই লক্ষ্যে সারাদেশে অনলাইন এক্টিভিস্টদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করছে দলের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি। এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার অংশ হিসেবে শনিবার ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগের অন্তর্গত থানা সমূহের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকদের নিয়ে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)’র কাউন্সিল হলে ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার কৌশল’ শীর্ষক কর্মশালা আয়োজন করা হয়।
