স্পোর্টস রিপোর্টার
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন ফরম্যাটেই সহ-অধিনায়ক নেই বাংলাদেশ জাতীয় দলের। সহ-অধিনায়ক ছাড়াই টি-২০ বিশ্বকাপের দলও ঘোষণা করেছে বিসিবি। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান মনে করেন, সহ-অধিনায়ক না থাকলেও লিডারশিপ গ্রুপে আলোচনার মাধ্যমেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কোচ, অধিনায়ক, সিনিয়র ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠিত এই গ্রুপের ওপরই আস্থা রাখছেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড সিরিজে ব্যাটসম্যানদের ফর্ম নিয়ে চিন্তা নেই সাকিবের। এই পারফরম্যান্স হিসেবে আনতে চান না তিনি। তার মতে, এমন উইকেটে ১০-১৫টা ম্যাচ খেললে ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে। কারণ কন্ডিশন খুবই কঠিন ছিল ব্যাটিংয়ের জন্য।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটা খেলেননি সাকিব। তারপর থেকে ব্যস্ততায় সময় কাটছে তার। গত দুই দিনে দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছেন বাঁহাতি এ অলরাউন্ডার। কেকেআরের হয়ে আইপিএল খেলতে গতকাল রাতেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে উড়াল দেওয়ার কথা তার।
তামিম ইকবাল না থাকায় টি-২০ দলে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ, সাকিব, মুশফিক, হেড কোচই মূলত লিডারশিপ গ্রুপের অংশ। বিশ্বকাপে সহ-অধিনায়ক না থাকার বিষয়ে গতকাল সাকিব বলেছেন, ‘যেহেতু এটা একটা প্রথা, হয়তো (সহ-অধিনায়ক) থাকলে ভালো হতো। নাই বলে যে খুব একটা সমস্যা, সেটা আমার কাছে কখনোই মনে হয় না। স্বাভাবিকভাবেই পাঁচ-ছয় জন আছে যারা লিডারশিপ গ্রুপের অংশ, আমি মনে করি। সবাই মিলেই যে কোনো ক্রাইসিস মোমেন্ট বা কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সবার আলোচনার মাধ্যমেই হয়।’
ঘরের মাঠে টানা দুই সিরিজে ১০ ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা মাত্র একটি হাফ সেঞ্চুরি করতে পেরেছেন। কঠিন উইকেটে খেলে ব্যাটসম্যানরা কেউ ফর্মে নেই উল্লেখ করে সাকিব বলেছেন, ‘এই ৯-১০টা ম্যাচ যারা খেলেছে সবাই অফ ফর্মে আছে। উইকেটটাই এমন। ব্যাটসম্যানদের ক্ষেত্রে এই পারফরম্যান্স খুব একটা গণ্য না করাই ভালো।’ তবে সবারই দলকে জেতানোর সামর্থ্য আছে মনে করেন সাকিব। এ অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘এরকম উইকেটে কোনো ব্যাটসম্যান ১০-১৫টা ম্যাচ খেললে তার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে। এটা কাউন্ট না করি আমরা। যারা দলে আছে সবাই দেশকে জেতানোর সামর্থ্য রাখে। যার যার জায়গা থেকে সবাই শতভাগ চেষ্টা করছে।’ সাকিবের বিশ্বাস, টানা তিন সিরিজ জয়, জয়ের ধারাবাহিকতায় পাওয়া আত্মবিশ্বাসের কারণে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ভালো হয়েছে। তাছাড়া টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ওমানে ক্যাম্প, প্রস্তুতি ম্যাচের মাধ্যমে কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে পারবে টাইগাররা।
