বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরো ছয় মাস বাড়াতে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত সম্বলিত আবেদনপত্রটি এখনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে ফিরে আবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর বরাবর পাঠাবেন বলেও তিনি জানান। গতকাল রবিবার আইন কমিশনের রজতজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এক আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের কাছে (খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন) গত সপ্তাহে এসেছিল। আমরা মতামত দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। তাতে আমরা ছয় মাসের মেয়াদ বাড়ানোর মত দিয়েছি। আমি খবর নিয়েছি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র সুরক্ষা সচিব দুজনে সরকারি কাজে বিদেশে আছেন। সেই জন্য আবেদনটি এখনো প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়নি।
এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) যে আবেদন করেছেন তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার একটি আবেদন হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার নির্বাহী আদেশে সাজা স্থগিত রেখে তাকে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছিলেন। যে আবেদনের ওপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ফলে সে আবেদনটি নিষ্পত্তি হয়ে গেল। এ অবস্থায় এটাকে পরিবর্তন করার আইন নাই। যদি এটা করতে হয়, তাহলে যেটা আমি আগেও বলেছি, তাকে (খালেদা জিয়া) আবার জেলে গিয়ে এ আবেদন বাতিল করতে হবে। এরপর আবার নতুন আবেদন করতে হবে। এ আবেদনের মেয়াদ বাড়ানো ছাড়া আমাদের কিছু করার নাই।’
