স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, কোভিড মহামারির কথা বিবেচনা করে একই সঙ্গে ৬ষ্ঠ গ্রেডে ৪০৯ জন অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। একটি যুগান্তকারী ঘটনা। গতকাল রবিবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জুনিয়র কনসালটেন্ট (অ্যানেস্থেসিওলজি) পদে নব নিয়োগগ্রাপ্ত চিকিত্সকদের যোগদান ও অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কোভিডের অতিমারির কথা বিবেচনা করে দেশের প্রত্যন্ত এলাকার হাসপাতালগুলোতে অ্যানেস্থেসিয়া চিকিত্সকের অতি বেশি প্রয়োজন দেখা দেয়। এই পদে পূর্বে অনুমোদিত ৬০৮টি পদের বিপরীতে মাত্র ৩০ জন চিকিত্সক কর্মরত ছিলেন। গত বছর আমরা ১৬৯ জন চিকিত্সককে পদোন্নতি দিয়েছি। সেই সময় উপযুক্ত প্রার্থী না থাকায় অবশিষ্ট ৪০৯টি পদে পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হয়নি। গত ৭ জুলাই ৪০৯টি শূন্য পদে সরাসরি নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে অনুরোধ করা হলে গত ৫ সেপ্টেম্বর সেই নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বেশ কিছু নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে হলেও এত অল্প সময়ে এই বিশালসংখ্যক চিকিত্সক নিয়োগ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে স্বাস্থ্য খাত কৃতজ্ঞ থাকবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানে নবনিয়োগপ্রাপ্ত চিকিত্সকদের সব ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী, স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদ (স্বাচিপ)-এর মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা এবং সোসাইটি অব অ্যানেস্থেসিয়ার সভাপতি অধ্যাপক ডা. দেবব্রত বণিক প্রমুখ।
