বাংলা ব্যাকরণ
মো. লুত্ফর রহমান, সিনিয়র শিক্ষক
কৈমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
নীলফামারী
বাক্যসংকোচন বা এককথায় প্রকাশ
একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংকোচন, বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ বলে ।
অর্থাত্ একটিমাত্র শব্দ দিয়ে যখন একাধিক পদ বা একটি বাক্যাংশের (উপবাক্য) অর্থ প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে বাক্য সংকোচন বলে ।
নিজেকে যে বড়ো মনে করে- হামবড়া
নূপুরের ধ্বনি- নিক্কণ
পা থেকে মাথা পর্যন্ত- আপাদমস্তক
প্রিয় বাক্য বলে যে নারী- প্রিয়ংবদা
পূর্বজন্ম স্মরণ করে যে- জাতিস্মর
পান করার যোগ্য- পেয়
পান করার ইচ্ছা- পিপাসা
ফল পাকলে যে গাছ মরে যায়- ওষধি
বিদেশে থাকে যে- প্রবাসী
বিশ্বজনের হিতকর- বিশ্বজনীন
ব্যাকরণ জানেন যিনি- বৈয়াকরণ
বিজ্ঞানের বিষয় নিয়ে গবেষণায় রত যিনি- বৈজ্ঞানিক
বেদ-বেদান্ত জানেন যিনি- বৈদান্তিক
বয়সে সবচেয়ে বড়ো যে- জ্যেষ্ঠ
বয়সে সবচেয়ে ছোটো যে- কনিষ্ঠ
ভোজন করার ইচ্ছা- বুভুক্ষা
মৃতের মত অবস্থা যার- মুমূর্ষু
মুষ্টি দিয়ে যা পরিমাপ করা যায়- মুষ্টিমেয়
মৃত্তিকা দ্বারা নির্মিত- মৃন্ময়
মর্মকে পীড়া দেয় যা- মর্মন্তুদ
মাটি ভেদ করে ওঠে যা- উদ্ভিদ
মৃত গবাদি পশু ফেলা হয় যেখানে- ভাগাড়
মন হরণ করে যা- মনোহর
মন হরণ করে যে নারী- মনোহারিণী
যা দমন করা যায় না- অদম্য
যা দমন করা কষ্টকর- দুর্দমনীয়
যা নিবারণ করা কষ্টকর- দুর্নিবার
যা পূর্বে ছিল এখন নেই- ভূতপূর্ব
যা বালকের মধ্যেই সুলভ- বালকসুলভ
যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে- অযত্নলব্ধ
যা ঘুমিয়ে আছে- সুপ্ত
যা বার বার দুলছে- দোদুল্যমান
যা দীপ্তি পাচ্ছে- দেদীপ্যমান
যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না- অনন্যসাধারণ
যা পূর্বে দেখা যায় নি- অদৃষ্টপূর্ব
যা কষ্টে জয় করা যায়- দুর্জয়
যা কষ্টে লাভ করা যায়- দুর্লভ
যা অধ্যয়ন করা হয়েছে- অধীত
যা অনেক কষ্টে অধ্যয়ন করা যায়- দুরধ্যয়
যা জলে চরে- জলচর
যা স্থলে চরে- স্থলচর
যা জলে ও স্থলে চরে- উভচর
যা বলা হয়নি- অনুক্ত
যা কখনো নষ্ট হয় না- অবিনশ্বর
যা মর্ম স্পর্শ করে- মর্মস্পর্শী
যা বলার যোগ্য নয়- অকথ্য
যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না- অজ্ঞাতকুলশীল
যা চিন্তা করা যায় না- অচিন্তনীয়, অচিন্ত্য
যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু- বন্ধুর
যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয়- ব্যয়বহুল
