আফগানিস্তানে মানবিক সংকট
রয়টার্স
তালেবানের কাবুল দখলের আগে থেকেই আফগানিস্তানের ১ কোটি ৮০ লাখ লোক ত্রাণ সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছিল। তাদের ক্ষমতা দখলের পর খরা, অর্থ ও খাদ্য ঘাটতির মধ্যে সংখ্যাটি আরো বেড়েছে বলে ধারণা করে আসন্ন মানবিক সংকট এড়াতে দাতাদের কাছে ৬০ কোটি ডলার চেয়েছে জাতিসংঘ।
এই উদ্দেশ্যে আফগানিস্তানের জন্য ৬০ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়ে সোমবার জেনেভায় একটি সাহায্য সম্মেলনের আহ্বান করেছে বিশ্বের অভিভাবক সংস্থাটি। আফগানিস্তানের পশ্চিমা সমর্থিত সরকারের পতনের পর তালেবানের জয় নিশ্চিত হওয়ায় সেখানে হাজার হাজার কোটি ডলারের বৈদেশিক অনুদান হঠাত্ বন্ধ হয়ে যায়। এতে দেশটিতে থাকা জাতিসংঘের কর্মসূচিগুলোর ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু জাতিসংঘ নিজেই এখন আর্থিক চাপে থাকায় তাদের পক্ষে অতিরিক্ত এ চাপ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে জাতিসংঘ নিজের কর্মীদেরই বেতন দিতে পারছে না।’
অগাস্ট ও সেপ্টেম্বরে ১ হাজার ৬০০ আফগানের মধ্যে সংস্থাটির চালানো এক জরিপে দেখা গেছে, তাদের ৯৩ শতাংশই যথেষ্ট খাবার পাচ্ছেন না, কারণ খাদ্য কেনার মতো নগর অর্থ তাদের হাতে নেই। জাতিসংঘের আরেক এজেন্সি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এই আবেদনের অংশ। দাতারা চলে যাওয়ার পর বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়া আফগানিস্তানের কয়েক শ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে সংস্থাটি।
