১০ কোটি টাকার উদ্বৃত্ত বাজেটে গুরুত্ব অবকাঠামো উন্নয়নে

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:০২

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২০২১-২০২২ অর্থবছরের রাজস্ব ও উন্নয়নসহ ৬৮৮ কোটি ২৩ লাখ ১৭ হাজার ৩৫৬ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছেন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী। প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব ও উন্নয়ন খাতে মোট ৬৮৮ কোটি ২৩ লাখ ১৭ হাজার ৩৫৬ টাকা আয় এবং ৬৭৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭৩ হাজার ৩৪০ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। বছর শেষে ঘোষিত বাজেটে ১০ কোটি ৭৩ লাখ ৪৪ হাজার ১৬ টাকা উদ্বৃত্ত থাকবে। গতকাল নগরের আলী আহম্মদ চুনকা মিলনায়তনে তিনি এ বাজেট ঘোষণা করেন। এ সময় নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল আমিন, প্যানেল মেয়র আফরোজা বিভাসহ নাসিকের কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

ঘোষিত বাজেটে অবকাঠামোগত উন্নয়ন যথা—রাস্তা, ড্রেন, ব্রিজ, কালভার্ট নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ, বৃক্ষ রোপণ, দারিদ্র্য বিমোচন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জরুরি ত্রাণ, তথ্য-প্রযুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যানজট নিরসন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, মশক নিধন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, খেলাধুলার মানোন্নয়ন মাঠ নির্মাণ, স্ট্রিট লাইট স্থাপনসহ সুপেয় পানি সরবরাহ খাতে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এডিবি, সিজিপি, এমজিএসপি, এডিপি প্রকল্প সহায়তার মাধ্যমে অবকাঠামো নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সিটি করপোরেশনের আওতাধীন খালসমূহ খননের মাধ্যমে জলাধার সংরক্ষণের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের আয়বর্ধক প্রকল্প হিসেবে নিজস্ব ভূমিতে বাণিজ্যিক কাম আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণসহ অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নের জন্য বাজেটে সুযোগ রাখা হয়েছে। খেলাধুলার মানোন্নয়নে প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণসহ মাঠ উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নগর ভবন নির্মাণকাজ চলমান আছে। জিমখানা লেক উন্নয়ন ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের কাজ চলমান আছে। শীতলক্ষ্যা নদী হতে ধলেশ্বরী নদী পর্যন্ত বাবুরাইল খাল পুনঃখনন, সৌন্দর্যবৃদ্ধিকরণ, আলোকিতকরণ ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের কাজ চলমান আছে। সিদ্ধিরগঞ্জ ডিএনডি খাল পুনঃখনন, সৌন্দর্যবৃদ্ধিকরণ, জলাধার সংরক্ষণ, আলোকিতকরণ, ও ড্রেনসহ ওয়াকওয়ে নির্মাণ। ৫ নম্বর গুদারাঘাটের কাছে শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর দিয়ে কদমরসুল ব্রিজ নির্মাণ। জাতীয় দিবসসমূহ উদ্যাপনসহ রক্ষণাবেক্ষণ খাতে বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মেয়র সব কাজে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন এবং পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ার প্রত্যয়ে সময়মতো গৃহকর পরিশোধ করে নগরীর উন্নয়ন কার্যক্রমে ভূমিকা রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।