টানা তিন দিন করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৫২

করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গত এক দিনে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমণ ধরা পড়েছে ১ হাজার ৯৫৩ জনের, যা আগের দিনের তুলনায় বেশি। রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পূর্বের ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৮৭১ জন রোগী শনাক্ত এবং ৫১ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল। সেই হিসাবে গত এক দিনে মৃত্যু কমলেও শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৩২৭ জন রোগী শনাক্ত এবং ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এক্ষেত্রে শনাক্ত-মৃত্যু দুটোই আগের দিন শুক্রবারের তুলনায় বেশি ছিল। অর্থাত্, টানা তিন দিনে করোনার সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তদের নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত কোভিড রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৩২ হাজার ৩৬৬। আর তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৬ হাজার ৯৭২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২৬ হাজার ৫৫টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৫ হাজার ৩৮৮টি। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ, যা আগের দিন ৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ ছিল। গত এক দিনে শুধু ঢাকা বিভাগেই ১ হাজার ৩১৬ জনের মধ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে, যা দিনের মোট আক্রান্তের দুই-তৃতীয়াংশ। সরকারি হিসাবে গত এক দিনে দেশে সেরে উঠেছেন ৪ হাজার ১১২ জন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত ১৪ লাখ ৮২ হাজার ৯৩৩ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে উঠলেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৪১ জনের মধ্যে পুরুষ ২৫ জন আর নারী ১৬ জন। দেশে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৭ হাজার ৩৮৩ জন আর নারী মারা গেলেন ৯ হাজার ৫৮৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৪১ জনের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ৮১  থেকে ৯০ বছরের মধ্যে রয়েছেন এক জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ছয় জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে সাত জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে এক জন আর ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে রয়েছে দুই জন। মারা যাওয়া ৪১ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগীর মৃত্যু হয়েছে একই সঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে। দুই বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১৪ জন করে। রাজশাহী বিভাগে মারা গেছেন তিন জন, খুলনা বিভাগে ছয় জন, বরিশাল ও সিলেট বিভাগে এক জন করে আর ময়মনসিংহ বিভাগে মারা গেছেন দুই জন। মারা যাওয়া ৪১ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৩৪ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ছয় জন আর বাড়িতে মারা গেছেন এক জন।