আগামী অক্টোবরে দেশে জনশুমারি ও গৃহগণনার মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহের কাজ হচ্ছে না। ডিজিটাল উপায়ে জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২১ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪ লাখ ট্যাব কেনার দরপ্রস্তাব বাতিল হওয়ায় মূল শুমারির কাজও পিছিয়ে যাচ্ছে। দরপত্রে ট্যাবগুলোর দাম বেশি হওয়ায় সম্প্রতি সেটি বাতিল করে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পরিসংখ্যান ভবন মিলনায়তনে ‘ওভারঅল আর্কিটেকচার অব ডিজিটাল সেনসাস ২০২১’ বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, করোনার কারণে আমাদের অনেক সময় নষ্ট হয়েছে। জনশুমারির সময় আবারও পেছাবে। অক্টোবরে শুমারির কাজ হবে না। বিষয়টি আমি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করব। উনার দিকনির্দেশনা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরেই দুই দফায় পিছিয়েছে জনশুমারি ও গৃহগণনার কাজ। মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২ থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে জনশুমারি ও গৃহগণনার পরিকল্পনা ছিল। তবে করোনা মহামারির কারণে মূল শুমারির কাজ আগামী ২৫ থেকে ৩১ অক্টোবর হওয়ার কথা ছিল। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানায়, ২০২১ সালের মধ্যেই শুমারি পরিচালনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে এটি ২০২২ সালেও চলে যেতে পারে।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) প্রতিনিধি ড. আশা টরকেলসন প্রমুখ।
